বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন মানেই কলকাতা ময়দানে উৎসবের আবহ। বছরের এই বিশেষ দিনে ঐতিহ্য মেনে প্রতিটি ক্লাবেই অনুষ্ঠিত হয় বারপুজো (Bar Puja 2026)। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মোহনবাগান ক্লাবে আয়োজিত বারপুজোয় উপস্থিত ছিলেন দলের অধিনায়ক শুভাশিস বসু এবং ফুটবলার মনবীর সিং। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অনুষ্ঠানে পুরুষ দলের ফুটবলাররা না থাকলেও মহিলা দলের সদস্য ও প্রাক্তন খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে জমে ওঠে অনুষ্ঠান।
শুধু দুই প্রধান ক্লাব নয়, কলকাতা ময়দানের অন্যান্য ক্লাব—খিদিরপুর, উয়াড়ি, ভবানীপুর, কাস্টমস, পুলিশ এসি—সব জায়গাতেই পালিত হয় এই পুজো। পাশাপাশি নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসা ডায়মন্ড হারবার এফসিতেও ছিল বারপুজোর আয়োজন।

ময়দানের বারপুজো শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি আসলে প্রাক্তন ও বর্তমান ফুটবলার, ক্লাব কর্তারা এবং সমর্থকদের মিলনমেলা। সারা বছর যাদের খেলা দেখে গ্যালারিতে সমর্থকরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন, সেই প্রিয় ফুটবলারদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ মেলে এই দিনেই। সেলফি, অটোগ্রাফ আর কথোপকথনে জমে ওঠে পুরো পরিবেশ।
মোহনবাগান অধিনায়ক শুভাশিস বসু এই প্রসঙ্গে বলেন, নতুন বছরে দলের লক্ষ্য ট্রফি জয়। তিনি জানান, “সারা বছর সমর্থকদের সঙ্গে এত কাছ থেকে কথা বলার সুযোগ হয় না। আমি কলকাতার ছেলে হিসেবে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি যে এই পুজোয় থাকতে পেরেছি। আশা করছি এ বছর আমরা ট্রফি জিততে পারব।”
মনবীর সিংয়ের কাছে এটি ছিল প্রথম বারপুজোর অভিজ্ঞতা। তিনি জানান, এই সংস্কৃতি তাঁর কাছে একেবারেই নতুন এবং অনুপ্রেরণাদায়ক। প্রাক্তন ফুটবলারদের কাছ থেকে পাওয়া পরামর্শ তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। নতুন বছরের লক্ষ্য হিসেবে ট্রফি জয়ের কথাই তুলে ধরেন মনবীর।

তবে উৎসবের আবহের মধ্যেও খেলায় ফোকাস হারাতে নারাজ দল। আসন্ন আইএসএল ম্যাচ নিয়েই এখন ভাবনা। ১৯ এপ্রিল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান, আর সেই ম্যাচকে সামনে রেখে প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে দল।













1 thought on “Bar Puja 2026: একসঙ্গে সমর্থক থেকে প্লেয়ার, বারপুজোয় মাতল কলকাতা ময়দান”