এক সময় আইপিএলে ঘরের মাঠ মানেই ছিল আলাদা সুবিধা। (IPL 2026) চেন্নাই সুপার কিংস চিপকে শুকনো স্পিনিং ট্র্যাক বানাত, কলকাতা নাইট রাইডার্স ইডেনের টার্নিং উইকেটে ভরসা রাখত সুনীল নারিন ও বরুণ চক্রবর্তীর ওপর। কিন্তু সেই যুগ এখন অতীত। বিস্ফোরক রিপোর্টে দাবি, এবার পুরো আইপিএলের পিচ নিয়ন্ত্রণ করছে BCCI আর তাদের একটাই লক্ষ্য—প্রতিটি ম্যাচে রানের বন্যা।
(IPL 2026) ইতিমধ্যেই ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি স্কোর হওয়া মরশুম। এখনও ২৫টি ম্যাচ বাকি থাকলেও ৪৯ ম্যাচে ৪১ বার ২০০-র গণ্ডি পেরিয়েছে দলগুলি। ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ১৫৫.২১ এবং রান রেট ৯.৬৮—দুটিই আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সবচেয়ে চমকে দেওয়ার বিষয়, IPL ইতিহাসের ১৪টি সর্বোচ্চ রান তাড়ার মধ্যে ৮টিই এসেছে এই মরশুমে। বলাই বাহুল্য যে পিচ এখন ব্যাটসম্যানদের জন্য স্বর্গ। শুধু ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম নয়, এর পিছনে রয়েছে পিচের চরিত্র বদলে যাওয়ার বড় ভূমিকা। প্রায় সব মাঠেই ব্যাটে সুন্দর বল আসছে, স্পিনাররা সাহায্য পাচ্ছেন না বললেই চলে। পাওয়ারপ্লেতে নিয়মিত ভাঙছে রানের রেকর্ড।
“বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখলেই লাখ লাখ টাকা”, বিশাল অঙ্কের চাকরি দিচ্ছে এই সংস্থা: IPL 2026: ‘হোম অ্যাডভান্টেজ’ শেষ, IPL-এ শুধু চার-ছক্কার বিনোদন চাই BCCI-এর(IPL 2026) সম্প্রতি ডিসি হোম গ্রাউন্ড অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে চতুর্থ বার হারের পর, দিল্লি ক্যাপিটালসের কোচ হেমাঙ্গ বাদানি খোলাখুলি বলেন, এ বারের আইপিএলে কোনও দলই আর সত্যিকারের ‘হোম অ্যাডভান্টেজ’ পাচ্ছে না। তাঁর দাবি, BCCI স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যাতে স্থানীয় দল নিজেদের সুবিধামতো পিচ তৈরি করতে না পারে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, BCCI পিচ কিউরেটরদের বলে দিয়েছে—
- বোলারদের জন্য পিচে অতিরিক্ত সাহায্য রাখা যাবে না
- বেশি টার্ন বা সুইং এড়াতে হবে
- সব মাঠে প্রায় একই ধরনের পিচ রাখতে হবে
- শুকনো স্পিনিং উইকেট বানানো যাবে না
- বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য ৭৭ মিটারের বেশি রাখা যাবে না
- প্রতিটি ম্যাচে স্থানীয় কিউরেটরের সঙ্গে থাকবেন BCCI-এর প্রতিনিধি
এমনকি প্লে-অফ ও ফাইনালের পিচ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে বোর্ডের কেন্দ্রীয় কিউরেটর টিম। ফলে বড় ধাক্কা খাচ্ছেন স্পিনাররা। IPL 2026-এ এখনও পর্যন্ত পেসারদের উইকেট ৩৮৫, সেখানে স্পিনারদের মাত্র ১৬৮। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে শুধুই ‘ব্যাটার শো’ বানিয়ে ফেলছে বোর্ড।
এক ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তা জানিয়েছেন, “যে দলগুলির শক্তিশালী স্পিন আক্রমণ রয়েছে, তারা ধীর উইকেট চাইত। আবার কিছু দল নতুন বলে সিম মুভমেন্ট পছন্দ করে। কিন্তু এখন সব মাঠে একই ধরনের পিচ। ফলে ঘরের মাঠের আলাদা সুবিধা প্রায় নেই বললেই চলে।” আরও এক সূত্রের বক্তব্য, “ব্যাটাররা এখন ধরে নিয়েই নামছে যে পিচ একদম ফ্ল্যাট থাকবে। কিন্তু সামান্য বোলিং সহায়ক উইকেট পেলেই তাদের মানিয়ে নিতে সমস্যা হচ্ছে।” (IPL 2026)
ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশের প্রশ্ন, আইপিএল কি ধীরে ধীরে শুধুই বিনোদনের মঞ্চ হয়ে উঠছে? যেখানে চার-ছক্কার ঝড়ই শেষ কথা আর বোলারদের লড়াই ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছে?
৪৫-এ বড়পর্দায় অভিষেক, ‘বাবার আশীর্বাদই আমার শক্তি’, আবেগে ভাসছেন নীতু-ঋষি কন্যা: IPL 2026: ‘হোম অ্যাডভান্টেজ’ শেষ, IPL-এ শুধু চার-ছক্কার বিনোদন চাই BCCI-এর










