প্রিয়দর্শনের ভৌতিক ছবিতে অক্ষয় কুমার। তাই প্রথম থেকেই ‘ভূত বাংলা’ (Bhooth Bangla Boxoffice) নিয়ে উত্তেজনা ছিল দর্শকের। ‘ভুলভুলাইয়া’র জনপ্রিয়তা কি এই ছবি ছাপিয়ে যেতে পারবে? সেই প্রশ্নও উঠেছিল। মুক্তির পরে অবশ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে এই ছবি নিয়ে। এখনও পর্যন্ত সারা বিশ্বের বক্স অফিসে ২১১ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। আর তার মধ্যেই প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগ সামনে এসেছে।
একতা কাপুর ও তাঁর প্রযোজনা সংস্থা বালাজি মোশন পিকচার্সের প্রযোজিত এই হরর-কমেডিটি ছবিটি ১৭ এপ্রিল মুক্তির পর থেকে বিশ্বব্যাপী ২১১ কোটি টাকারও বেশি আয় করেছে বলে জানা গিয়েছে। বুধবার একতা কাপুর সমাজমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে এই ছবিটির সাফল্য উদযাপন করেন। তিনি অভিনেতা অক্ষয় কুমার, পরিচালক প্রিয়দর্শন এবং অন্যান্য কলাকুশলীদেরও প্রশংসা করেন।
তবে, সংবাদমাধ্যম মিড-ডে-র একটি প্রতিবেদনে পাওয়া খবরে, ছবিটির সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন যে, প্রেক্ষাগৃহে ছবিটির সাফল্য পাওয়ার পরও তাদের পাওনা এখনও বাকি রয়েছে। একজন দাবি করেছেন, তাঁর ৩০ লক্ষ টাকার বকেয়া পরিশোধ করা হয়নি, অন্যদিকে অন্য একজনের দাবি, প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা তাঁর বকেয়া রয়েছে।
তাঁদের অভিযোগ, একবার কোনও ছবি মুক্তি পেলে বকেয়া সেই টাকা আদায় করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। তাঁরা আরও দাবি করেছেন যে, ৯০ দিনের মধ্যে ইনভয়েস পরিশোধ করার নিয়মটি এখন আর নিয়মিতভাবে অনুসরণ করা হয় না।
একজন মতে, সাধারণত প্রধান অভিনেতা এবং মূল কলাকুশলীদের পারিশ্রমিক দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, আর অন্যদের মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়।
যদিও এই অভিযোগের জবাব দিয়েছে বালাজি মোশন পিকচার্স। তারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রযোজনা সংস্থার বক্তব্য, “বালাজি টেলিফিল্মস লিমিটেড কোম্পানির বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য চুক্তিবদ্ধ সমস্ত কোম্পানিকে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।”
ছবিটি তৈরি হয়েছে ১২০ কোটি টাকায়। তার মধ্যে অনেকটাই গিয়েছে অক্ষয়ের পারিশ্রমিকে। অন্য অভিনেতাদের চেয়ে অনেক গুণ বেশি পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলিউডের ‘খিলাড়ি কুমার’। জানা যাচ্ছে, অক্ষয় পেয়েছেন ৫০ কোটি টাকা। তবে সাধারণত অক্ষয় যা পারিশ্রমিক নেন তার চেয়ে ২৮.৫ শতাংশ কম নিয়েছেন এই ছবিতে। সাধারণত অন্য ছবিতে ৬০ থেকে ১৪০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন তিনি।










