[ছবি:এক্স]
লিওনেল মেসিকে আটকানোর পরিকল্পনা করেছিলেন স্প্যানিশ কোচ (Luis De La Fuente)। প্রথমে ব্যক্তিগত মার্কিংও বসিয়েছিলেন। কিন্তু ম্যাচের ৭০ মিনিটে সেই মার্কারকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তই যেন কাল হয়ে দাঁড়ায়। এরপর মাত্র ১৫ মিনিটে চার গোল করে ম্যাচের রং বদলে দেন মেসি। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে এমনই এক অবিশ্বাস্য স্মৃতি ভাগ করে নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের চমকে দিলেন স্পেনের কোচ (Luis De La Fuente) লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সাংবাদিক বৈঠকে লিওনেল মেসিকে নিয়ে একটি মজার কিন্তু বিস্ময়কর ঘটনা শোনালেন স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
(Luis De La Fuente) তিনি জানান, সেই সময় তিনি সেভিয়ার যুব দলের কোচ ছিলেন। একটি ম্যাচে তাঁদের প্রতিপক্ষ ছিল বার্সেলোনার যুব দল, আর সেই দলেই খেলতেন কিশোর লিওনেল মেসি। ম্যাচের শুরু থেকেই মেসিকে থামাতে বিশেষ পরিকল্পনা করেন দে লা ফুয়েন্তে। একজন ফুটবলারকে শুধু মেসির উপর ব্যক্তিগত মার্কিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
প্রথম ৭০ মিনিট পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বেশ ভালোভাবেই কাজ করছিল। কিন্তু এরপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, মেসিকে মার্ক করা ফুটবলারকে বদলি করে তুলে নেবেন।
আর সেখান থেকেই বদলে যায় পুরো ম্যাচের চিত্র। (Luis De La Fuente) দে লা ফুয়েন্তের কথায়, “এরপর মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই মেসি আমাদের জালে চারটি গোল করে বসে!”
👤 لويس دي لا فوينتي:
— FCB World (@forcabarca_ar) July 17, 2026
سأخبركم بشيء مضحك بالحديث عن ميسي
لقد عرفت ليونيل عندما كنت أدرب إشبيلية للشباب ولعبنا ضد برشلونة
فرضنا عليه رقابة فردية في البداية
في الدقيقة 70، قمت بتبديل من يراقبه
في غضون 15 دقيقة سجل في مرمانا أربعة أهدافpic.twitter.com/RbtLIEAa5T
স্পেন কোচের এই স্মৃতিচারণ এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই বলছেন, মেসির প্রতিভা বোঝাতে এর চেয়ে ভালো উদাহরণ খুব কমই পাওয়া যায়। একজন ডিফেন্ডারের নজর সরতেই কীভাবে মুহূর্তের মধ্যে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন, সেই গল্পই আবারও মনে করিয়ে দিলেন দে লা ফুয়েন্তে। তবে (Luis De La Fuente) দে লা ফুয়েন্তের এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। সামাজিক মাধ্যমে অনেক ফুটবলপ্রেমীর প্রশ্ন, বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে প্রতিপক্ষের সবচেয়ে বড় তারকা সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা কতটা কৌশলগতভাবে ঠিক? এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক ব্যবহারকারী লেখেন, “ফাইনালে যখন তাঁদের বিরুদ্ধেই খেলতে হবে, তখন এমন মন্তব্য করা বোকামি।” যদিও অন্য এক ব্যবহারকারী পাল্টা জবাব দিয়ে বলেন, “তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে কোচিং করাচ্ছেন, আর আপনি বসে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করছেন।” ফলে দে লা ফুয়েন্তের এই স্মৃতিচারণ যেমন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তেমনই তৈরি করেছে নতুন বিতর্কও। তাঁর এই স্বীকারোক্তি বিশ্বকাপ ফাইনালের আবহে মেসির অসাধারণ ফুটবল প্রতিভাকেই আরও একবার নতুন করে আলোচনায় এনে দিয়েছে।
‘ওর সামনে ইতিহাস’—ফাইনালের আগে ইয়ামালকে নিয়ে কী বললেন মেসি?












