ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

পঞ্চম সন্তানের বাবা হতে চলেছেন নেইমার, সংসারে আসছে নতুন সদস্য

Neymar
---Advertisement---

ফুটবল মাঠে তাঁর পায়ের জাদু বহুবার মুগ্ধ করেছে বিশ্বকে। এবার সুখবর এলো নেইমারের (Neymar) ঘরে। বিশ্বকাপে চোটের জন্য মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। এবার সুখবর শোনালেন তিনি। তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন নেইমারের (Neymar) বান্ধবী ব্রুনা। পঞ্চমবার বাবা হচ্ছেন নেইমার।

ইউটিউবে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন নেইমারের বান্ধবী। সেখানে লেখেন, We are Pregnant। অন্যরকম সেলিব্রেশন নয়, খুশির খবর সমাজমাধ্যমে জানালেন নেইমার। এই খবরে মজা করতে ভোলেননি তিনি। তিনি বলেন, ‘আমি আজকেই একটা ব্যান্ড বানাব। সেটির নাম হবে স্পাইস গার্লস।’ আর এই পোস্টের পরই সমাজমাধ্যমে কৌতুহল বাড়ল ভক্তদের মধ্যে।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রথমবার বাবা হয়েছেন নেইমার। এরপর সময়ের সঙ্গে তাঁর পরিবার আরও বড় হয়েছে। বর্তমানে চার সন্তানের বাবা ব্রাজিলিয়ান এই সুপারস্টার। ২০১১ সালে জন্ম হয় ডেভি লুকার। তখন নেইমারের বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। ডেভির মা ক্যারোলিনা দান্তাস। ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে ডেভির। স্টেডিয়ামে বাবার খেলা দেখা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যায় বাবা-ছেলেকে।

২০২৩ সালে নেইমার ও ব্রুনা বিয়ানকার্ডির ঘরে জন্ম নেয় কন্যা সন্তান মাভি। জন্মের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে সে। নেইমারের পোস্টে প্রায়ই দেখা যায় মাভির হাসিমাখা মুখ। সমর্থকদের কাছেও সে বেশ পরিচিত।

২০২৪ সালে জন্ম নেয় নেইমারের তৃতীয় সন্তান হেলেনা। তার মা ব্রাজিলিয়ান মডেল আমান্ডা কিম্বার্লি। হেলেনার জন্মের খবর প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল।

২০২৫ সালে নেইমার ও ব্রুনা বিয়ানকার্দির দ্বিতীয় সন্তান মেলের জন্ম হয়। পরিবারের নতুন সদস্যকে স্বাগত জানিয়ে আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেছিলেন নেইমার। ছোট্ট মেলকে ঘিরে আনন্দে ভরে ওঠে পুরো পরিবার। ফুটবলের মাঠে তিনি হয়তো একজন সুপারস্টার। কিন্তু পরিবারের কাছে তিনি একজন দায়িত্বশীল বাবা।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now