শিখর ধাওয়ানের জীবনে একসঙ্গে এল ব্যক্তিগত সুখবর এবং আইনি লড়াইয়ে বড় জয়। সদ্য দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন ভারতের প্রাক্তন ওপেনার, আর তার মধ্যেই প্রাক্তন স্ত্রী আয়েশা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মামলায় দিল্লির পারিবারিক আদালতের রায়ে স্বস্তি পেলেন তিনি। (Shikhar Dhawan Second Marriage) আদালত আয়েশাকে নির্দেশ দিয়েছে শিখরকে ৫ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে।
২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক আয়েশার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ধাওয়ান। তাঁদের একটি পুত্র রয়েছে। তবে দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটল ধরে এবং ২০২৩ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর আয়েশা অস্ট্রেলিয়ার আদালতে সম্পত্তি ভাগাভাগির দাবি করেন। সেখানকার আইনে বিবাহবিচ্ছেদের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের বিধান থাকায় আদালত ধাওয়ানকে প্রায় ৫.৭২ কোটি টাকা দিতে নির্দেশ দেয় এবং তিনি সেই অর্থ পরিশোধও করেন।
এরপর ধাওয়ান দিল্লির আদালতের দ্বারস্থ হয়ে প্রশ্ন তোলেন, ভারতে বিয়ে হওয়া সত্ত্বেও বিদেশি আদালতের নির্দেশ কীভাবে এখানে কার্যকর হতে পারে। বিচারক দেবেন্দ্র কুমার গর্গ পর্যবেক্ষণে জানান, অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি বণ্টন সংক্রান্ত আইন ভারতের হিন্দু বিবাহ আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ফলে বিদেশি আদালতের নির্দেশ ভারতে প্রযোজ্য নয় বলেই রায় দেয় আদালত এবং আয়েশাকে টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন ধাওয়ান। দীর্ঘদিনের সঙ্গী সোফি শাইনের সঙ্গে দিল্লিতে ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিয়ে করেন তিনি। নতুন সংসার শুরু করার পাশাপাশি পুরনো আইনি জট কাটায় স্বস্তিতে ‘গব্বর’। ক্রিকেট থেকে দূরে থাকলেও জীবনের এই নতুন ইনিংসে তিনি এখন অনেকটাই নিশ্চিন্ত বলেই মনে করছেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা।











