রাজ্যে পালা বদল হয়েছে। আর সেই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলাচ্ছে কিছু নিয়মকানুন। হাতে ক্ষমতা আসার পরই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimirta Paul)। রাজ্য জুড়ে এবার জিও ট্যাগিং পরিষেবা শুরুর কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। কী রয়েছে এই জিও ট্যাগিংয়ে?
রাজ্যের যেকোনও প্রান্তে মিলবে এই পরিষেবা। সে পঞ্চায়েত হোক বা পুর এলাকা। যেকোনও এলাকাতেই অভিযোগ জানালে মিলবে পরিষেবা। আপনাদের মোবাইলেই এই জিও ট্যাগিং অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন। সেই অ্যাপ থেকেই অভিযোগ জানাতে পারবেন। আপনার আশপাশে যেকোনও জায়গায় আবর্জনার স্তূপ পড়ে থাকলে, সেই ছবি ও জায়গার নাম সহ এই অ্যাপে আপলোড করা মাত্রই ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সেই আবর্জনা পরিষ্কার করে নেবেন সাফাই কর্মীরা। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানালেন অগ্নিমিত্রা পাল।
গতকালই আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজ্যের পুরসভা, পুরনিগম এবং তিনটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটিকে আমূল বদলে ফেলাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। সে জন্যে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন অগ্নিমিত্রা। পাশাপাশি পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের নতুন পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি। মন্ত্রী সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর আওতায় শৌচালয় নির্মাণ, ‘আবাস যোজনা’ এবং ‘জল জীবন মিশন’-এর মাধ্যমে প্রতিটি শহরে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর নতুন সরকার।
পাশাপাশি কলকাতা শহর জুড়ে তৃণমূলের আমলে বেআইনি গাড়ি পার্কিং নিয়েও এদিন মুখ খোলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এদিন বেআইনি গাড়ি পার্কিং নিয়ে কড়া বার্তা দেন। তিনি জানান, এই বেআইনি গাড়ি পার্কিং-এর জন্য সাধারণ মানুষের পথ চলতে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, ভুয়ো পার্কিং স্লিপ ব্যবহার করে সরকারি স্ট্যাম্পে পার্কিং নেওয়া হচ্ছিল। সেইগুলোও বন্ধের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের ক্ষমতা বিজেপির হাতে গেলেও পুরসভা ও পুরনিগমগুলি এখনও তৃণমূলের দখলে। এই অবস্থায় তৃণমূল পরিচালিত পুরসভাগুলির কর্মকাণ্ডের সবিস্তার তথ্য পেতেই পুর-এলাকাগুলিতে নজরদারি চালাতে চাইছে সরকার। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।









