সোমবার সই জালিয়াতি কাণ্ডে তৃতীয়বার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস দিয়েছে সিআইডি। এখনও অবধি একবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় CID-র কাছে হাজিরা দেননি। আজ বিকেল ৫টার মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে ভবানীভবনে। আর এই নিয়েই অভিষেককে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না শাসক দল বিজেপি। উত্তরবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে অভিষেকের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra on Abhishek)। তিনি বলে, “তিনি যদি ভাবেন তাঁর শিষ্য পুষ্পার (জাহাঙ্গির খান) মতো পালিয়ে বেড়াবেন, তাহলে ভুল করবেন।”
রাজ্যের পুরমন্ত্রী বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি আমাদের সামনে এসেছিল। যেখানে উনি বলছেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য। তিনি সাংসদ হিসাবে তো বিধায়কের ব্যাপারে কথা বলতে পারেন না। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ব্যাপারে কথা বলতে পারেন না। সুতরাং সেই হিসাবে সিআইডি তাঁকে ডেকেছে। তিনি যদি মনে করেন যে তিনি পালিয়ে বেরাবেন তাঁর শিষ্য পুষ্পার মতো তা হলে গতকাল পুষ্পাকে যেমন ধরা হয়েছে নেপাল বর্ডার থেকে, তেমনিই করা হবে। আমি জানি না এত সাহস নিয়ে বাঘের বাচ্চা কেন পালিয়ে বেড়াচ্ছে! সেই রকমই যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বলব, না এলে যে পার পেয়ে যাবেন তা কিন্তু নয়। সুতরাং কেউ যদি সই জাল করে থাকেন বা আপনিই যদি চিঠিটা করে থাকেন, সেটা কিন্তু সিআইডিকে আপনাকে জানাতে হবে।”
পুর এলাকায় তৃণমূল আমলে দুর্নীতি নিয়েও সরব হন অগ্নিমিত্রা (Agnimitra on Abhishek)। তিনি বলেন, “শুধু জমি নয়, জলা-জমি বুজিয়ে যাঁরা বাড়ি করেছেন, যাঁরা কালভার্টের ওপর বাড়ি করেছেন, দলীয় অফিস করেছেন, কারও ব্যক্তিগত জমি দখল করে বেআইনি ভবে বাড়ি করেছেন, প্রত্যেক পুর কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে তাঁদের নোটিশ দিতে। আমরা সময় দেব। কগজপত্র নিয়ে আপনারা আমাদের কাছে আসবেন। যদি দেখি বাড়ি বেআইনিভাবে বানানো তবে আমরা প্রশাসনিক স্তরে পদক্ষেপ নেব।”
তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের পুরসভাগুলির অবস্থা বেহাল। তৃণমূল সরকার ১৫ বছর ধরে লুটেপুটে খেয়েছে। এরা এত পরিমাণে চুরি করেছে, চুরিগুলো খুঁজে বার করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমরা সমস্ত চুরিরর প্রমাণ বার করব। আমরা অডিট করব। যাঁরা যাঁরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাঁদের ঠিক সময় ধরা হবে।”










