---Advertisement---
lifezone nursing home

পৌঁছয়নি উন্নয়ন, ভরসা ভাঙা বাঁশের সাঁকো, প্রাণ হাতে নিয়েই যাতায়াত ১০-১২ গ্রামের মানুষের

May 24, 2026 2:17 PM
---Advertisement---

ঝাড়গ্রামের জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত বাঁশপাহাড়ি এলাকায় আজও উন্নয়নের আলো পৌঁছয়নি। পাকা সেতুর অভাবে প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন খেড়িয়ারাতা, দেশমূল-সহ প্রায় ১০ থেকে ১২টি গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দা। স্থানীয়দের একমাত্র ভরসা এখন একটি জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো, যা ভেঙে পড়ার মুখে। (Jhargram)

গ্রামবাসীদের দাবি, বহু বছর ধরে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েও কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। বাধ্য হয়ে নিজেদের টাকাতেই খালের উপর বাঁশ ও কাঠ দিয়ে অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করেছিলেন স্থানীয়রা। সেই সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, শ্রমিক, রোগী থেকে সাধারণ মানুষ যাতায়াত করছেন। তবে বর্ষা নামলেই পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়। জলের তোড়ে প্রতি বছর ভেসে যায় অস্থায়ী সাঁকোটি। ফলে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। (Jhargram)

স্থানীয় বাসিন্দা সুরঞ্জয় হেমব্রম বলেন, “আমরাই নিজের টাকায় বাঁশের ব্রিজ বানিয়েছি। সরকার কিছু দেয়নি। এই ব্রিজটা তৈরি হলে আমাদের অনেক উপকার হবে। এখন যাতায়াত প্রায় বন্ধ।” তাঁর দাবি, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর অন্তত এবার স্থায়ী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হোক।

আরেক বাসিন্দা রামজিৎ মান্ডির অভিযোগ, “রাস্তা নেই, যোগাযোগ নেই, নদীঘাট নেই। প্রায় ১০ হাজার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করে। বর্ষার সময় হাসপাতালে পৌঁছনোই দুঃসাধ্য হয়ে যায়। বাঁশপাহাড়ি যেতে যেখানে সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তা হওয়ার কথা, সেখানে ঘুরে প্রায় ২০ কিলোমিটার যেতে হয়। (Jhargram)

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় এক বিজেপি নেতা দাবি করেছেন, বাঁশপাহাড়ি-সহ জঙ্গলমহলের একাধিক এলাকায় এখনও বাঁশের সাঁকোর উপর নির্ভর করেই মানুষ চলাচল করেন। তাঁর অভিযোগ, গত ১৫ বছরে রাস্তা ও ছোট সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় কাজ হয়নি। তবে নতুন সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং ছোট ছোট পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। (Jhargram)

বর্ষা পুরোপুরি নামার আগেই স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যে কোনও দিন বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এই ভগ্নপ্রায় সাঁকোয়।

চালকের কেবিনে গোপন চেম্বার, সেখান থেকেই উদ্ধার ৮০০ কেজি গাঁজা


Ranita Saha

নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে থেকেই সাংবাদিকতার পেশায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। কলেজ জীবন থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি শুরু। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিতেও স্বচ্ছন্দ। রাজনীতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক এবং বিনোদন সংক্রান্ত খবর লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বই একমাত্র বন্ধু। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ এবং আঁকা ভালোবাসার বিষয়।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

1 thought on “পৌঁছয়নি উন্নয়ন, ভরসা ভাঙা বাঁশের সাঁকো, প্রাণ হাতে নিয়েই যাতায়াত ১০-১২ গ্রামের মানুষের”

Leave a Comment