শহর কলকাতার একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। তিলজলা ৬৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কসবার ১৪৩ বিবি চ্যাটার্জি স্ট্রিট এবং বেলেঘাটার বারোয়ারি তলা রোড— বিভিন্ন জায়গায় বুলডোজার চালিয়ে ভাঙা হচ্ছে অবৈধ বহুতল ও নির্মাণ। এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। কসবায়r গিয়ে তিনি সরাসরি তোপ দাগেন একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। (Agnimitra Paul on Kolkata Illegal Construction)
অগ্নিমিত্রার অভিযোগ, যেসব নির্মাণ ভাঙা হচ্ছে তার কোনও বৈধ নথি, অনুমোদন বা পরিকল্পনার কাগজপত্র নেই। প্রশাসনের তরফে আগেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সময়ও দেওয়া হয়েছিল প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার জন্য। কিন্তু অভিযুক্তদের কেউই সাড়া দেননি। তাঁর দাবি, এই বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কুখ্যাত পাপ্পু সোনা, রাজু নস্কর এবং তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানের ছেলে ফৈয়াজ খানের নাম। বিজেপি নেত্রীর বক্তব্য, “এভাবে অবৈধ বিল্ডিং দাঁড়িয়ে থাকলে আশপাশের মানুষের নিরাপত্তাও বিপদের মুখে পড়বে। তাই ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” (Agnimitra Paul on Kolkata Illegal Construction)
এদিন ফলতা নিয়েও রাজনৈতিক আক্রমণ শানান অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, ফলতার মানুষের, বিশেষ করে মহিলাদের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের জয় হয়েছে। তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু স্থানীয় মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই তিনি তৃণমূলের জাহাঙ্গির খানকে ‘পুষ্পা’ বলে কটাক্ষ করে প্রশ্ন তোলেন, “যে বলত ‘পুষ্পা ঝুঁকেগা নেহি’, সে এখন কোথায়?”
একইসঙ্গে হুমায়ুন কবিরকেও কড়া ভাষায় সতর্ক করেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর অভিযোগ, বিভাজনের রাজনীতি করে বারবার উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। উন্নয়নের পথে আসতে চাইলে স্বাগত জানানো হবে, কিন্তু সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। (Agnimitra Paul on Kolkata Illegal Construction)
অন্যদিকে ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেও সরব হন অগ্নিমিত্রা। সিপিএম প্রার্থী দীপু দাস ও তাঁর ভাইয়ের বাড়িতে হামলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বিরোধীদের কার্যত গৃহহীন করে দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন ও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তোলেন তিনি। এমনকি ঘটনাস্থলে থাকা দমকল ব্যবস্থাকেও “চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা” বলে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেত্রী।
পৌঁছয়নি উন্নয়ন, ভরসা ভাঙা বাঁশের সাঁকো, প্রাণ হাতে নিয়েই যাতায়াত ১০-১২ গ্রামের মানুষের










3 thoughts on “বেলেঘাটা থেকে কসবা কলকাতায় একের পর এক বেআইনি নির্মাণে বুলডোজার”