বেড়াতে গিয়ে বিপত্তি। এখনও নিখোঁজ বাড়ির বৌমা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের হরিহরপুর পঞ্চায়েতের বেনিয়াডাঙ্গা বর্ধনপাড়ায় এখন শুধু অপেক্ষা। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ির ঘাগরা জলপ্রপাতে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে জলে ভেসে নিখোঁজ হয়েছেন বারুইপুরের এক পর্যটক গৃহবধূ। দুর্ঘটনার কবলে পড়ে নিখোঁজ প্রীতি দত্ত। রবিবার দুপুর পর্যন্ত তাঁর কোনও খোঁজ না মেলায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে। বাড়ির সকলের এখন একটাই প্রার্থনা, সুস্থ শরীরে যেন বাড়ি ফিরে আসেন প্রীতি। (Baruipur Tragedy)
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার কলকাতা থেকে ৩৬ জনের একটি পর্যটক দল ঝাড়গ্রামে বেড়াতে যায়। শনিবার দুপুরে দলটি ঘাঘরা জলপ্রপাতে বেড়াতে যায়। ওই দলে ছিলেন বারুইপুরের বর্ধমানপাড়ার বাসিন্দা রাজদীপ দত্ত, তাঁর স্ত্রী প্রীতি দত্ত এবং তাঁদের নয় বছরের সন্তান।
জানা গিয়েছে, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন প্রীতি। তারপর থেকেই তাঁর কোনও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। রবিবার দুপুর পর্যন্ত তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
রাজ্যসভায় বিজেপির প্রার্থী কোয়েল মল্লিক, দুর্গাপুজোর মহাষষ্ঠীর দিনে ভোট
এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজদীপের পাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবারের পাশাপাশি উদ্বেগে রয়েছেন প্রতিবেশীরাও। শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম এই ঘটনার খবর পান। পরে পুলিশ এলাকায় এসে নিখোঁজ মহিলার বাড়ি খুঁজতে চাইলে প্রতিবেশীরাই তাঁদের রাজদীপদের বাড়ি দেখিয়ে দেন।
অন্যদিকে, বাড়িতে রয়েছেন রাজদীপের বৃদ্ধা মা আরতি দত্ত। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তাঁকে এখনও প্রীতির দুর্ঘটনা এবং নিখোঁজ হওয়ার কথা জানানো হয়নি। পরিবারের সদস্যরা চাইছেন, কোনওভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থার যেন অবনতি না হয়। (Baruipur Tragedy)
রাজদীপের কাকা সমীর দত্ত বলেন, বৌমা ফিরে আসবেন, এই আশাতেই তাঁরা পথ চেয়ে রয়েছেন। প্রীতির সন্ধান পাওয়ার আশায় পরিবারের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও উদ্বিগ্ন। এখন সকলের একটাই প্রার্থনা—যে ভাবেই হোক, প্রীতি যেন সুস্থ শরীরে বাড়ি ফিরে আসেন।












1 thought on “পরিবারের সঙ্গে ঝাড়গ্রাম বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ বৌমা, বারুইপুরের বাড়িতে শুধুই অপেক্ষা”
Comments are closed.