বিধানসভায় সই বিতর্কের তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisekh Banerjee) বাড়িতে CID। দুপুর দেড়টা নাগাদ CID-র ৫ জন আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের হরিশ মুখার্জি রোডের ১৮৮A, শান্তিনিকেতন বাড়ির সামনে আসেন। অভিষেকের বাড়ির দরজা বন্ধ ছিল। বাইরে দীর্ঘ অপেক্ষা করছিলেন CID-র ৫ আধিকারিক। শনিবার CID আধিকারিকরা যখন পৌঁছন, সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না অভিষেক। দরজা বন্ধ ছিল ভিতর থেকে। সেই সময় ভিতর থেকে একজন বেরিয়ে আসেন। জানান, অভিষেক বাড়িতে নেই। ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় লিখে নেন।
এ কথা শুনে আধিকারিকরা জানান, তাঁরা একটি নোটিস দিতে এসেছেন। তবে ওই কর্মীর হাতে কোনও নোটিস দেননি তাঁরা। বাড়ির সামনে কিছুক্ষণ থাকার পর তাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।
কী এই সই জাল-কাণ্ড?
অভিযোগ, বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তাতে ৭০ জন বিধায়কের সইতে ‘অসঙ্গতি’ পাওয়া গিয়েছে। সেই সংক্রান্ত তদন্তেই কলকাতা পুলিশকে সাহায্য করছে CID। আর এই সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিলেন CID আধিকারিকেরা। এছাড়াও ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলাম এবং ডোমজুডের বিধায়ক তাপস মাইতির বাড়িতেও CID-র আধিকারিকেরা গিয়েছিলেন।
বিধানসভার সচিবালয়ের তরফ থেকে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রাথমিকভাবে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ ওই অভিযোগের তদন্ত শুরু করলেও পরে তদন্তভার CID-র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
শুধু স্বাক্ষর সংগ্রহই নয়, বেশ কিছু নথিপত্রও খতিয়ে দেখেছেন তদন্তকারীরা। কোন পরিস্থিতিতে সেই চিঠিতে স্বাক্ষর করা হয়েছিল, আদৌ স্বাক্ষরটি তাঁর নিজের কি না – সেই সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিন অবশ্য CID-র আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখা পাননি। তৃণমূল নেতার বাড়ির এক কর্মী আধিকারিকদের জানান, অভিষেক বাড়িতে নেই। এমনকি তাঁর স্ত্রী, সন্তানরাও নেই। কোথায় গেছেন তিনি বলতে পারবেন না।










2 thoughts on “অভিষেকের শান্তিনিকেতনে CID, দরজা খোলা নিয়ে বচসা, তর্কাতর্কি”