মঙ্গলবার দুপুরে কালীঘাটের ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি লাগোয়া দলীয় কার্যালয়ে হানা দিল CID। এদিন কালীঘাটের পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসেও চলে তল্লাশি অভিযান। জানা যায় বিধানসভায় সই জালিয়াতি কাণ্ডে তদন্তের স্বার্থে এই অভিযান চালাচ্ছেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা (Cid Team Reached At Kalighat)।
অভিযোগ, কালীঘাটের কার্যালয়ে ঢুকতেই প্রথমে CID-র তদন্তকারী অফিসারদের বাধা দেন সেখানে উপস্থিত তৃণমূল কর্মী তথা রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী। তাঁদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় তদন্তকারী অফিসারদের। অবশেষে সমস্ত বাধা কাটিয়ে দলীয় অফিসে প্রবেশ করেন তদন্তকারী অফিসাররা।
সূত্রের খবর, দলীয় অফিসে তল্লাশির জন্য সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে এসেছিলেন CID-র আধিকারিকেরা। তাঁদের দলে ৩০ জন আধিকারিক ছিলেন। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রথমে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী তাঁদের ভিতরে ঢুকতে বাধা দেন। প্রাক্তন সাংসদ বলেন, ‘এই মুহূর্তে বাড়িতে কেউ নেই। যাঁদের নামে নোটিস তাঁরা বাড়ি নেই। আমাদের কিছুটা সময় দিন। এই নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে চলে বাদানুবাদ। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে এই পরিস্থিতি চলার পর সবকিছুকে উপেক্ষা করে পার্টি অফিসের ভিতরে ঢুকে যান তদন্তকারী অফিসাররা। এরপরে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসায় পিছু হটতে বাধ্য হন প্রাক্তন সাংসদ।
CID-র দল স্পষ্ট জানায়, তারা তল্লাশি করতে এসেছে। সেখানে কে উপস্থিত আছেন, তার সঙ্গে তদন্তের কোনও সম্পর্ক নেই। আগেই নোটিস পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও রয়েছে বলেও জানান তাঁরা। সিআইডি-র দল অভিষেককে পাঠানো নোটিস সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন। সেই নোটিস শুভাশিসকে দেখান তাঁরা।
অন্যদিকে, ক্যামাক স্ট্রিটেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসেও বাধার মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ করেন CID অফিসাররা। কার্যালয়ে উপস্থিত কর্মীরাও আধিকারিকদের অসহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ। ঘরের দরজা আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তবে তার কিছুক্ষণ পরেই সব বাধা কাটিয়ে অফিসে প্রবেশ করেন তাঁরা।










