---Advertisement---
lifezone nursing home

Clock Tower: তিলজলার পর গড়িয়ায় চলল বুলডোজার, ভাঙা হলো অবৈধ ক্লক টাওয়ার

May 14, 2026 7:40 PM
Clock Tower
---Advertisement---

প্রথম থেকেই অ্যাকশন মুডে রাজ্যের নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার অ্যাকশন’-এ নেমেছে রাজ্য। এবার হাইকোর্টের নির্দেশে প্রশাসনের তরফে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বিখ্যাত ক্লক টাওয়ার। যে টাওয়ারটি (Clock Tower) একসময় এলাকার ল্যান্ডমার্ক হয়ে উঠেছিল, আজ সেই টাওয়ারই অবৈধ বলে চিহ্নিত হয়ে বুলডোজারের সামনে দাঁড়িয়ে।

গড়িয়ার মিতালী সংঘের মাঠেই তৈরি হয়েছিল এই ক্লক টাওয়ার। যা নিয়ে তৈরি হয়েছিল নানা বিতর্ক। এই টাওয়ার তৈরি নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনও অনুমোদন ছাড়াই ক্লাবের মাঠ দখল করে অবৈধভাবে তৈরি করা হয়েছিল এই টাওয়ার। অভিযোগ, এই টাওয়ারটি তৈরি করে প্রাক্তন মন্ত্রীর অরূপ বিশ্বাসের সহযোগিতায় তৃণমূল কাউন্সিলর সন্দীপ দাস মিতালী সংঘ খেলার মাঠটিতে প্রোমোটিং করার চেষ্টা করছিলেন। তারপরই ক্লাব কর্তৃপক্ষর তরফে হাইকোর্টে ওই তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। অবৈধ নির্মাণ হওয়ায় এই টাওয়ারটি ২০২৫ সালে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সেই সময় এই টাওয়ার ভাঙতে বাধা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর ও এলাকার মহিলারা। তারপর মাঝে কেটে যার আরও একটা বছর। বিধানসভা ভোটে রাজ্যের পালাবদল হয়। এই পালাবদলের পরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে অবৈধ নির্মাণ আটকাতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান শুরু করে রাজ্য সরকার।

এবার ফের ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে এই টাওয়ারটি ভেঙে ফেলার জন্য হাইকোর্টে আপিল করা হয়। এবার হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে বৃহস্পতিবার প্রশাসনের তরফে এই টাওয়ারটি ভেঙে ফেলা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বলেছেন, “আইন ভাঙলে কোনও ছাড় নেই (Clock Tower)। যোগী মডেলে নয়, বাংলার মাটিতে নিয়মের শাসন প্রতিষ্ঠা করব।” প্রশাসনিক কর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ কারখানা, দোকানপাট এবং সরকারি জমির দখল উচ্ছেদ করা হচ্ছে। গড়িয়ার ক্লক টাওয়ার এই অভিযানের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment