জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে শ্বশুরবাড়ি গিয়েছিলেন। তখন কি জানতেন, ফিরে এসে এই দৃশ্য দেখবেন। বাড়িতে ঢুকে ঘরের দরজা খুলতেই চোখ কপালে উঠল গৃহকর্তার। ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র তছনছ, আলমারি ও আসবাবপত্র লণ্ডভণ্ড। ঘরের পিছনের জানালা ভাঙা। ঘর থেকে চুরি গিয়েছে নগদ টাকা ও গয়না সহ মূল্যবান সামগ্রী। নদিয়ার শান্তিপুরে দুঃসাহসির চুরির ঘটনায় স্তম্ভিত স্থানীয়রা (Daring theft)।
গত শনিবার জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে পরিবার নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন নদিয়ার শান্তিপুরের বাসিন্দা গোবিন্দ দাস। ছুটি কাটিয়ে সোমবার বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন, বাড়ির পিছনের জানালা ভাঙা। আলিমারির সব তছনছ,আসবাবপত্র, বাসনপত্র সব ছড়ানো ছিটানো। খোয়া গিয়েছে, নগদ টাকা, সোনা-রুপোর গয়না সহ মূল্যবান সামগ্রী (Daring theft)।
গোবিন্দ দাসের অভিযোগ, বাড়ির পেছনের একটি জানালা ভেঙে চোর ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর বাড়ির চারটি ঘরে তছনছ চালিয়ে মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। তাঁর দাবি, সোনা ও রুপোর একাধিক গয়না, সোনার চেন, কানের দুল, বাসনপত্র এবং প্রায় ৫০ হাজার টাকা নগদ চুরি গিয়েছে। তিনি আরও জানান, নগদ টাকাগুলি ঘরের চালের ভিতরে লুকিয়ে রাখা ছিল। কিন্তু চোরেরা সেই লুকিয়ে রাখা টাকা জায়গা মতো খুঁজে বের করে।
ঘটনার পরই দ্রুত খবর দেন থানায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে শান্তিপুর থানার পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে গোটা বাড়ি পরিদর্শন করেন পুলিশ কর্মীরা। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদও করেন তাঁরা। এলাকায় পুলিশি নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। গোবিন্দ দাসের অভিযোগের ভিত্তিত তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।
অন্যদিকে, একই রকম চুরির ঘটনা ঘটল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে। জামাইষষ্ঠীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরে এসে ঘরের দরজা খুলতেই গৃহকর্তা দেখেন আলমারির তালা ভাঙা। ঘরের সব জিনিস এলোমেলো। খোয়া গিয়েছে সোনার গয়না ও নগদ টাকা।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের বাসিন্দা মলয় বাছার। তিনি তাঁর স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে শ্বশুরবাড়িতে যান। বাড়ি ফিরে দেখেন সদর দরজার তালা ভাঙা। ঘরে ঢুকতেই চোখ কপালে ওঠে মলয় বাবুর। ঘরের চারিদিকে জিনিসপত্র ছড়ানো-ছিটানো। খোয়া গিয়েছে, দেড় লাখ টাকার সোনার গয়না ও ৫০ হাজার নগদ টাকা। ঘটনার পরেই বারইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মলয় বাবু। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তদন্তে বারুইপুর থানার পুলিশ।









