পূর্ব রেলের হাওড়া শাখার হুগলির শেওরাফুলি রেল স্টেশন চত্বরে আগুন ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। কিন্তু কীভাবে লাগল আগুন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে?
৫ মার্চ, বৃহস্পতিবার দুপুরে প্ল্যাটফর্মের একটি অংশে আগুন দেখতে পান কয়েকজন। স্টেশনের ৩ ও ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে জমে থাকা আবর্জনার স্তূপ থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলেই খবর। শুকনো আবর্জনায় আগুন লাগার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই বড় আকার ধারণ করে। স্টেশনের যে জায়গায় আগুন লাগে তার ঠিক পাশেই ছিল একটি শৌচালয়। ফলে অগ্নিকাণ্ডের পরই প্ল্যাটফর্মে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ভয়ে এদিক-ওদিক ছুটোছুটি শুরু করেন। প্ল্যাটফর্মের ধারে থাকা একটি বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়েও আগুন ধরে যায় বলে জানা যায়।Fire
প্রথমে রেলের কর্মীরাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জিআরপি ও আরপিএফ। কিছুক্ষণের মধ্যেই দমকলের একটি ইঞ্জিন সেখানে আসে এবং আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
West Bengal Fire and Emergency Services–এর শ্রীরামপুর ফায়ার স্টেশনের অফিসার শান্তনু মালিক জানান, বিকেল প্রায় ৩টা ৫০ মিনিট নাগাদ আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ফায়ার বাইক ও একটি গাড়ি নিয়ে দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে সেখানে প্রচুর আবর্জনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। আগুনের ঘটনায় এলাকায় কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক তৈরি হলেও ট্রেন চলাচলে কোনও সমস্যা হয়নি বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, এর আগের দিনই উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একটি মিষ্টির দোকান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেই আগুন আশপাশের আরও কয়েকটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি কাঠের গুদামও পুড়ে যায়। ঘটনায় একজনের মৃত্যুও হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রেল স্টেশন চত্বরে আগুনের ঘটনায় আতঙ্কিত নিত্যযাত্রীরা।Fire









