এসআইআরে নাম বাদ যাওয়া মতুয়াদের সিএএ-তে আবেদন করার আর্জি রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার (Ashok Kirtaniya)৷ পাশাপাশি, যে সমস্ত সরকারি আধিকারিকের আয় বছরে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের স্বার্থে তাঁদের রেশন না নেওয়ার অনুরোধও করেছেন মন্ত্রী৷ একই সঙ্গে দ্রুত রেশন বণ্টন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের আশ্বাস দিলেন খাদ্যমন্ত্রী পূর্ণমন্ত্রী ৷
Ashok Kirtaniya: CAA-এর মাধ্যমে আবেদন
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “যেসব উদ্বাস্তু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের নাম এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় বাদ গিয়েছে তাঁরা সিএএ (CAA) -এর মাধ্যমে আবেদন করুন ৷ সিএএ-তে আবেদন করলে সমস্যা মিটবে (Ashok Kirtaniya) ৷ ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে আসা কোনও উদ্বাস্তুর নাগরিকত্ব পেতে কোনও অসুবিধা হবে না৷ তবে, অনুপ্রবেশকারীদের ছাড়া হবে না৷ তাদেরকে বিতারিত করা হবে বলে আগেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।” অশোক কীর্তনিয়া আরও বলেন, “তাঁদেরই ভোটাধিকার থাকা উচিত, যাঁরা নাগরিক। তাই উদ্বাস্তু হিসাবে পূর্ব-পাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা সিএএ -তে আবেদন করুন।”
১ অগস্ট নিউটাউনের কনভেনশন সেন্টারে উত্তর ২৪ পরগনার প্রায় ৩০০ জন মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের হাতে ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী শংসাপত্র তুলে দেওয়ার পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেছিলেন। বলেছিলেন, “নাগরিকত্ব কাড়তে নয়, দিতেই এই সিএএ আইন। আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হবে।” সে কথাই আরও একবার শোনা গেল মন্ত্রীর কাছে ৷
উচ্চ আয়ের অধিকারিকদের কাছে অনুরোধ
অন্যদিকে, রেশন সামগ্রী বণ্টন প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া বলেন, “যোগ্যরাই রেশন পাবেন৷ কেন্দ্র যে নিয়ম তৈরি করে দেবে, সেই মতো রেশন দেওয়া হবে৷” পাশাপাশি, যেসব সরকারি অফিসারদের বছরে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা বা তার বেশি আয়, রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে তাঁদেরকে রেশন না নেওয়ার অনুরোধ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে রেশন বণ্টনে দুর্নীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। কথা দিচ্ছি, রেশন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা হবে। কোনও দুর্নীতি আমরা করতে দেব না। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর নাম শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতির রুখতে সরকার মরিয়া।”








