কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। যার জেরে জলের তলায় চলে গেল ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ও ২ নম্বর ব্লকের মধ্যে সংযোগকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফেয়ার ওয়েদার সেতু। এরফলে নদীর দুই পাড়ের দুই ব্লকের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।
জেলার গোপীবল্লভপুর ২ নম্বর ব্লকের চোরচিতা এবং গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ব্লকের শ্যামসুন্দরপুর গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গিয়েছে সুবর্ণরেখা। এই দুই প্রান্তের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা কাঠের তৈরি ফেয়ার ওয়েদার সেতু। তবে প্রতি বছর বর্ষাকালে নদীর জল বাড়লেই সেতুটি তলিয়ে যায় বা ক্ষতি হয়। ফলে কয়েক মাস ধরে দুই ব্লকের মানুষের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। (Bridge Collapses)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর পর প্রতিবছরই নতুন করে কাঠের সেতু মেরামত করা হয়। বছরের বাকি সময় সেই সেতুর উপর দিয়েই চলাচল করেন এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু বর্ষায় নদীর জলস্তর বাড়লেই সেতুটি অচল হয়ে পড়ে। ফলে গোপীবল্লভপুর ২ নম্বর ব্লকের চোরচিতা, নোটা, গুড়মা-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের দীর্ঘ পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হয়। সমস্যায় পড়েন রোগী, পড়ুয়া, কর্মজীবী থেকে ও ব্যবসায়ীরা। এলাকাবাসীর দাবি, সুবর্ণরেখা নদীর উপর স্থায়ী কংক্রিটের সেতু নির্মাণ হলে গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পৌঁছানোর দূরত্ব অনেকটাই কমে যাবে।
দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় দুর্ঘটনা, ব্লাস্ট ফার্নেসে ঝলসে ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু
বর্তমানে সেতু ডুবে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। যার ফলে সময় ও অর্থ—দু’দিক থেকেই বাড়তি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হলেও স্থায়ী সমাধানের কোনও উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। অবিলম্বে নদীর উপর স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি করেছেন গ্রামের মানুষজন। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন ও সরকারের পক্ষ থেকে কবে এই দাবির বাস্তবায়ন হয়। (Bridge Collapses)










1 thought on “সুবর্ণরেখার জলে তলিয়ে ঝাড়গ্রামের ফেয়ার ওয়েদার সেতু, স্থায়ী সেতুর দাবি এলাকাবাসীর”