রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

৫৪ টি রেস্তরাঁ বন্ধের পিছনে ফুড ভ্লগারদের হাত? কেন জানেন

Published on: September 10, 2026
food vloggers
---Advertisement---

যতদিন এগোচ্ছে বাড়ছে ফুড ভ্লগারদের জনপ্রিয়তা। স্ট্রিটফুড থেকে নামী রেস্তরাঁর রান্নাঘরে ঢুকে পড়ছেন তাঁরা। খাবার কেমন তা নিয়ে ভিডিয়ো করছেন ভ্লগাররা। সেই ভিডিয়ো দেখে খাবারের দোকান, রেস্তরাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। অথচ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। গত কয়েকদিনে খাদ্যসুরক্ষা দফতরের অভিযানে উঠে এসেছে একেরপর এক হোটেল ও রেস্তরাঁর অব্যবস্থার ছবি। কলকাতায় ৫৪টি দোকানের লাইসেন্স বাতিল করেছে কলকাতা পুরসভা। এবার ফুড ভ্লগারদের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বন্ধ হওয়া রেঁস্তরার কর্তৃপক্ষের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, তাঁদের খাবারের লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পিছনে এক শ্রেণির ইউটিউবারদের হাত রয়েছে। ওই ভ্লগাররা নাকি এক সময় ব্ল্যাকমেল করে টাকা দাবি করেছিলেন (food vloggers)।

food vloggers: কেন দায়ি ফুড ভ্লগাররা?

নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগে মঙ্গলবার পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের নেতৃত্বে ৪০ টি নামিদামী দোকানের ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়। এরপর বুধবার তিনি আরও ১৪টি দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ড করেন। পার্কস্ট্রিট থেকে শুরু করে অফিসপাড়া, হগ মার্কেট, মির্জা গালিব স্ট্রিটের একাধিক দোকান এদিন বন্ধ থাকতে দেখা যায় (food vloggers)।

অনেক হোটেল ও রেস্তরাঁর কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেন, এক শ্রেণির ফুড ভ্লগার ব্ল্যাকমেল করে তাঁদের নিয়মিত শাসাচ্ছে। ফোন করে তারা বলছে আপনাদের খাবারে সমস্যা রয়েছে, সেটিং করে নিন কোনও সমস্যা হবে না। তবে এই ঘটনার পর তাঁরাও এই ফুড ভ্লগারদের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটার কথা চিন্তা-ভাবনা করছেন।

খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযানের পর থেকে বন্ধ হগ মার্কের স্ট্রিট ফুড থেকে শুরু করে বড় বড় কয়েকটি রেস্তরাঁ। সোমবার দুপুর থেকে বন্ধ মির্জা গালিব স্ট্রিটের করিমস–এর একটি আউটলেট। বালিগঞ্জের ইউপিওয়ালা দোকানের দুই কর্মী বদম সিং ও বিকাশ জয় সিং জানান, তাঁদের মালিক সোমবার দুপুর থেকে দোকান বন্ধ রেখেছেন। বন্ধ পার্ক স্ট্রিটের ডন জিওভানি রেস্তরাঁও।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

1 thought on “৫৪ টি রেস্তরাঁ বন্ধের পিছনে ফুড ভ্লগারদের হাত? কেন জানেন”

Leave a Comment