---Advertisement---
lifezone nursing home

Kolkata Metro : ফের মেট্রোয় আত্মহত্যার চেষ্টা! ব্লু লাইনে ১ ঘণ্টারও বেশি সময় বন্ধ রইল মেট্রো

April 6, 2026 1:42 PM
---Advertisement---

আবারও মেট্রো স্টেশনে মরণ ঝাঁপের চেষ্টা। আবার সপ্তাহের প্রথম দিনের ব্যস্ত সময়ে মেট্রোর (Kolkata Metro) ব্লু লাইনে রেল চলাচলে বিভ্রাটের জেরে চরম দুর্ভোগ নিত্যযাত্রীদের। মেট্রো রেল সূত্রের খবর, সোমবার বেলা ১১.৩৫ নাগাদ মহাত্মা গান্ধী রোড স্টেশনের ডাউন লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। ফলে থমকে যায় মেট্রোর স্বাভাবিক চলাচল। ময়দান থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম এবং দক্ষিণেশ্বর থেকে দমদম স্টেশন পর্যন্ত পরিষেবা চালু করা হয়। দমদম থেকে পার্ক স্ট্রিট পর্যন্ত মেট্টো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। এর ফলে চূড়ান্ত ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়ে যাত্রীদের। প্রায় ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বন্ধ রইল মেট্রোর স্বাভাবিক পরিষেবা।

ঘটনার পরই তক্ষণাৎ লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। তারপরেই মধ্যবয়সী ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন আরপিএফ এবং মেট্রোর কর্মীরা৷ যাত্রীদের অভিযোগ, প্রায় দিনই এমন ঘটনা ঘটছে। যার জেরে ব্যাহত হচ্ছে পরিষেবা। সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতির মোকাবিলায় মেট্রো স্টেশনগুলিতে নজরদারি আরও বাড়ানোর দাবি তুলেছেন যাত্রীরা।

গত ২৮ মার্চ দুপুর ১টা নাগাদ ব্লু লাইনে ব্যাহত হয় পরিষেবা। যার জেরে বহুক্ষণ ব্যাহত হয়েছিল মেট্রো পরিষেবা। সেইদিনই দীর্ঘক্ষণ ভাঙা পথে চালু রাখতে হয় মেট্টো পরিষেবা। সে বার বিবৃতিতে মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানান, ব্রেক জ্যাম হয়ে যাওয়ার কারণে একটি আপ ট্রেন কিছুক্ষণের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য থামানো হয়েছিল। পরীক্ষার জন্য শেডে পাঠানো হয়। তারপর পুনরায় পরিষেবা চালু করা হয়। তার আগে ২২ মার্চ গ্রিন লাইন অর্থাৎ হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ শাখায় মেট্রো পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল। সেটাও হয়েছিল দুপুরের সময়।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে চারজন। ২০২৪ সালে মেট্রোয় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ৭ জন। ২০২৫ সালের শেষ দুই এবং চলতি বছরের জানুয়ারি মিলিয়ে মোট ৮ জন ঝাঁপ দিয়েছেন মেট্রো (Kolkata Metro) লাইনে। মেট্রোর কর্তারা জানাচ্ছেন, ২০২৫ সাল থেকে মেট্রোয় আত্মহত্যার ঘটনা অনেকটাই বেড়েছে। বারবার স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় উদ্বিগ্ন মেট্রো কর্তৃপক্ষও ।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment