[ছবি:এক্স]
ভারত সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে (META) মেটা CEO মার্ক জাকারবার্গ শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট (CSAM), ডিপফেক এবং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনায় একাধিক ত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন বলে সরকারি সূত্রের দাবি। একইসঙ্গে কেন্দ্র স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, কনটেন্ট বণ্টনে সক্রিয় ভূমিকা নিলে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা হারাতে পারে মেটা।
META: CSAM ও ডিপফেক নিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা
সরকারি ও PTI সূত্রে দাবি, বুধবারের আলোচনায় মার্ক জাকারবার্গ CSAM (Child Sexual Abuse Material), ডিপফেক এবং ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামসহ মেটার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত ত্রুটির জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন। বৈঠকে মেটার প্রতিনিধিরাও স্বীকার করেন, নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্ট প্রচারের জন্য উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।
Break : META Global Team Met IT Ministry officials on Removal of PM video on Facebook.
— Aseem Manchanda (@aseemmanchanda) August 5, 2026
META global team also to meet IT Minister. pic.twitter.com/MIGzdEJZUH
‘সেফ হারবার’ নিয়ে কড়া বার্তা কেন্দ্রের
বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, (META) মেটা যদি শুধুমাত্র নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী (Intermediary) হিসেবে কাজ না করে বরং কোন ব্যবহারকারীর কাছে কোন কনটেন্ট পৌঁছবে তা নিজেই নির্ধারণ করে, তাহলে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের অধীনে ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্রযোজ্য নাও হতে পারে। সরকারের বক্তব্য, কনটেন্ট বণ্টনে সক্রিয় হস্তক্ষেপ করলে মেটাকে প্রকাশকের (Publisher) মতোই দায়বদ্ধ হতে হবে।
META: মোদির ভিডিয়ো সরানো নিয়ে ব্যাখ্যা
বুধবার প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের (MeitY) সচিব এস. কৃষ্ণনের সঙ্গে মেটার চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোয়েল ক্যাপলানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক করে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেসবুক ভিডিয়ো কয়েক ঘণ্টার জন্য সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ব্যাখ্যা দেয় মেটা। সংস্থার দাবি, স্বয়ংক্রিয় ফিল্টারিং ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই ভিডিয়োটি ভুলবশত সরানো হয়েছিল এবং পরে তা পুনরুদ্ধার করা হয়।
আরও কড়া নজরদারির ইঙ্গিত
বৈঠকে CSAM, অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত আপত্তিকর কনটেন্ট এবং AI-নির্ভর ডিপফেকের বিস্তার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্র। সরকার স্পষ্ট করেছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে (META) মেটার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় আরও কঠোর পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে।
ISI জঙ্গি চক্র ভাঙল পাঞ্জাব পুলিশ, ৯ গ্রেফতার; নিশানায় ছিল দিল্লির যন্তর মন্তর











