রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

ফের বিক্ষোভের মুখে মহুয়া মৈত্র, কালো পতাকা দেখিয়ে সাংসদকে গো ব্যাক শ্লোগান

Published on: September 1, 2026
mahua moitra
---Advertisement---

তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে ফের বিক্ষোভ। রাস্তা অবরোধ। কালো পতাকা দেখিয়ে সাংসদকে গো ব্যাক শ্লোগান বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। তুমুল উত্তেজনা ছড়ালো নদিয়ার চাপড়ায়। মঙ্গলবার দুপুরে নদিয়ার চাপড়ার এলেম নগরের একটি বেসরকারি লজে দলীয় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মহুয়া মৈত্র। এলাকায় পৌঁছতেই রাস্তায় বসে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। ঘটনাস্থলে চাপড়া থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে (mahua moitra)।

mahua moitra: বিজেপি কর্মীদের কী অভিযোগ?

বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, “তৃণমূল সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।” এদিন দলীয় অফিস থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন মহুয়া। তিনি বলেন, “চাপড়়ায় যারা তৃণমূলের প্রতীকে ভোটে জিতে মমতার সঙ্গে বেইমানি করেছেন,তাঁদের কালো পতাকা দেখানো উচিত। কিন্তু তাঁরা আমাকে কালো পতাকা দেখাছে। চাপড়ায় বিজেপি নেই। তৃণমূলের সংগঠন এখনও শক্তিশালী। যাঁদের এমপি হওয়ার কথা নয়, তাঁরা তৃণমূলের প্রতীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দয়ায় এমপি হয়েছিলেন। ২০ জন সাংসদ যাঁরা এনসিপিআইতে যোগ দিয়ে এনডিএ শরিক হয়েছেন তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই টেবিলে ব্রেকফাস্ট করছেন। অমিত শাহের সঙ্গে চায়ের আসরে বসছেন। আজকে যেখানে জবাব দেওয়ার কথা ছিল, তাঁরা এখনও পর্যন্ত জবাব দিতে পারেনি। তাঁরা এখনও জবাব চাইছে।”

পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে মহুয়া (mahua moitra) বলেন, “পুলিশ এখন গ্রেফতারি ও মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখাচ্ছে। গ্রাম-পঞ্চায়েতের প্রধান থেকে শুরু করে নিচু মহলের নেতাদের ভয় দেখানো হচ্ছে। থানার আধিকারিকরা ফোন করে ডাকছেন। আমার বিরুদ্ধেও ৪টে এফআইআর হয়েছে। বিজেপি যদি আমার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে ফুটেজ পায়, তাহলে আমার সমস্যা নেই”।
বেশকিছুদিন আগেই নদিয়ার কালীগঞ্জে মহুয়ার উপর ডিম হামলা হয়। তা নিয়ে সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংসদ। এবার ফের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তিনি।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment