রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

মমতার সম্পর্কের ভাইঝির অস্বাভাবিক মৃত্যু, ঘর থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ

Published on: September 1, 2026
mamata banerjees niece dies
---Advertisement---

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কের ভাইঝির অস্বাভাবিক মৃত্যু। ঘর থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ। বীরভূমের রামপুরহাটে তৃণমূল নেত্রীর মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। মৃতার নাম বৃষ্টি ঘটক মুখোপাধ্যায়। আত্মহত্যাই বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিশ। তবুও মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা (mamata banerjees niece dies)।

mamata banerjees niece dies: কী কারণে মৃত্যু?

স্থানীয় সূত্রে খবর, ব্যক্তিগত জীবনে টানাপোড়েন চলছিল তাঁর। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল স্বামীর সঙ্গে। বেশ কয়েক মাস ধরেই ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়িতেই থাকতেন বৃষ্টি। পরিবারের এক সদস্য জানান, উপরে তাঁর ঘর দীর্ঘক্ষণ বন্ধ ছিল। সকালে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেন পরিবারের সদস্যরা। তবুও কোনও সাড়াশব্দ না মেলায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে ঢুকে ওই মহিলার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায় পুলিশ (mamata banerjees niece dies)।

বাড়ির আরও এক সদস্য জানান, ছেলের পৈতের পর, স্থায়ীভাবে বীরভূমের ওই বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন বৃষ্টি। স্বামীর সঙ্গে ডির্ভোসের মামলা চলছে। ১২ বছরের একটি ছেলে রয়েছে। তবে সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণেই কী আত্মহত্যা করলেন? কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

আরও জানা যায়, ২০২৩ সালে প্রথমবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন বৃষ্টি। বোলপুর আপার প্রাইমারি স্কুলে গ্রুপ সি কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। হাইকোর্টের নির্দেশে হাজার হাজার চাকরি যাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন তিনিও। সেই সময় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই জানিয়েছিলেন, কারও সুপারিশে চাকরি পাননি বৃষ্টি। নিজের যোগ্যতায় অশিক্ষক কর্মী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন কাজে। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জেরে পরে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। কোনও বেতনও তোলেননি তিনি।

পরিবার সূত্রে খবর, তিনি মানসিক অবসাদগ্রস্ত ছিলেন। তবে সঠিক কী কারণে মৃত্যু, তা এখনও জানা যায়নি। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment