রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাস্তায় নামার কথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ের সামনে ধর্নায় বসার কথা নেত্রীর। কিন্তু মিলল না ধর্নার অনুমতি। ধর্না মঞ্চই তৈরি করতে দেওয়া হল না বলে অভিযোগ করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।
কুণাল ঘোষের দাবি, অনুমতি না দেওয়ার কারণে সোমবার দুপুরে ধর্না মঞ্চ তৈরি করতে দিল না পুলিশ। ঘটনাস্থলে যান কুণাল ঘোষ। কথা বলেন পুলিশের সঙ্গে। এরপর সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানান, ‘তৃণমূলনেত্রী নামছেন। কিন্তু ওরা নামতে দেবে না। বিজেপি পুলিশকে ব্যবহার করছে। এটা প্রতিহিংসা।’
তৃণমূল বিধায়কের অভিযোগ, তাঁরা আগেই কর্মসূচির জন্য পুলিশকে চিঠি দিয়েছিলেন। সময় মতো ডেকরেটরের কর্মীরা মঞ্চ বাঁধতে আসেন। সেই সময় পুলিশ এসে তাঁদের বাধা দেন। অনুমতি না থাকায় এখানে মঞ্চ করতে দেওয়া হবে না বলে জানান পুলিশ কর্মীরা।
কুণাল আরও জানান, পুলিশের তরফে ধর্নামঞ্চের বিকল্প জায়গা হিসাবে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলের কথা বলা হয়েছে। সেই মতো তৃণমূল নেতৃত্বরা ওয়াই চ্যানেল পরিদর্শনে যান। তবে তিনি বলেন, পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ওয়াই চ্যানেলে দু’ঘণ্টার বেশি ধর্নার অনুমতি দেওয়া হবে না। এর জন্য আবার প্রশাসনের কাছে নতুন করে আবেদন করতে হবে। মঙ্গলবার দুপুর ২ টো থেকে শুরু হবে তৃণমূলের কর্মসূচি।
অন্যদিকে, দলবিরোধী কাজের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর এরপরেই এই দুই বিধায়ককে তীব্র আক্রমণ শানালেন, তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এদিন সাংবাদিকদের সামনে এসেও দল থেকে বহিষ্কৃত দুই বিধায়কের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক।
তিনি বলেন, “এটা কত বড় বিশ্বাসঘাতকতা! দলের সিদ্ধান্তের কথা স্পিকারকে জানিয়েছেন। দলের মধ্যে যদি সমস্যা থাকে, তাহলে সেটা আগে দলকে বলা উচিত ছিল। দলনেত্রীকে জানানো উচিত ছিল।”









