রাজ্য বাজেটে ঘোষণা হয়েছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে টাকা বাড়বে। আর সেই ঘোষণা বাস্তব রূপ পেতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে খুশির হাওয়া। দক্ষিণ ২৪ পরগনার হরিণবাড়ি, পয়লা ঘেরি ও ঝাউতলা এলাকার মহিলারা শনিবার সকালে স্থানীয় মন্দিরে একত্রিত হয়ে বিশেষ পুজোর আয়োজন করলেন। উদ্দেশ্য একটাই, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা। (Laxmi Bhandar)
রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ শ্রেণির মহিলারা এখন থেকে মাসিক ১০০০ টাকার বদলে ১৫০০ টাকা এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলারা ১৫০০ টাকার বদলে ১৭০০ টাকা করে পাচ্ছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) থেকেই অনেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বাড়তি টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার মহিলাদের মধ্যে আনন্দ। (Laxmi Bhandar)
বাড়তি টাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাতে ডালি সাজিয়ে, ফুল-ফল-প্রসাদ নিয়ে মন্দিরে হাজির হন মহিলারা। তাঁদের কথায় উঠে আসে সংসারের নানা অভাবের ছবিও। কারও মতে, বাজারখরচ সামলাতে সুবিধা হবে, আবার কারও কাছে ওষুধপত্র কিংবা সন্তানের পড়াশোনার প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রে এই বাড়তি টাকা বড় ভরসা। (Laxmi Bhandar)
পুজোয় সামিল হওয়া এক মহিলা বলেন, “এই বাড়তি টাকা আমাদের সংসারের অনেক ছোটখাটো অভাব পূরণ করবে। দিদি আমাদের কথা ভেবেছেন, তাই আমরাও ঠাকুরতলায় আশীর্বাদ চাইলাম যেন তিনি সুস্থ থাকেন এবং আবার ক্ষমতায় আসেন। (Laxmi Bhandar)
“উল্লেখ্য, ২০২১ সালে চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প রাজ্যের অন্যতম বৃহৎ নারীকল্যাণ প্রকল্প হিসেবে পরিচিত। গ্রামের বহু পরিবারের দৈনন্দিন জীবনে এই আর্থিক সহায়তা কার্যত ‘ভরসার হাত’ হয়ে উঠেছে বলে মত স্থানীয়দের।এই ঘটনাকে ঘিরে সাগর ব্লকে যেমন উৎসবের আবহ, তেমনই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে আলোচনা। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে টাকা বৃদ্ধির ঘোষণার প্রভাব যে জনমানসে স্পষ্টভাবে পড়ছে, তা এই পুজোই যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। (Laxmi Bhandar)










