(Sonarpur Lynching Death) পুরনো শত্রুতার জেরে প্রকাশ্যে এক যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের কামরাবাদ ফুলের হাট সংলগ্ন আম্বেদকর নগরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃত যুবকের নাম গোপাল হালদার (৪১)। কয়েক বছর আগের একটি খুনের মামলায় তার নাম ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
বাড়িতে হামলার অভিযোগ
অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপাল-সহ তিনজন আম্বেদকর নগরের একটি বাড়িতে যান। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি বাড়ির মালিক কেবো হাজরার। বাড়ির ভিতর থেকে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। তখন গোপালের সঙ্গে থাকা দু’জন পালিয়ে গেলেও গোপাল স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েন বলে অভিযোগ। (Sonarpur Lynching Death)
প্রকাশ্যেই মারধরের অভিযোগ
(Sonarpur Lynching Death) এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, স্থানীয়দের একাংশ গোপালকে বেধড়ক মারধর করেন। গুরুতর জখম অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে তাকে পুলিশ উদ্ধার করে সুভাষগ্রাম গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে মৃত ঘোষণা করে।
পাঠ্যপুস্তক থেকে ‘পানি’ শব্দ সরানোর ঘোষণা, সরকারকে তুলোধনা নওশাদের
পুরনো খুনের যোগ?
কেবো হাজরার দাবি, কয়েক বছর আগে তাঁর ছেলে লাল্টু হাজরাকে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় গোপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল এবং তাঁকে গ্রেফতারও করেছিল সোনারপুর থানার পুলিশ। পুলিশের তরফেও গোপালকে ওই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বলে জানানো হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের ঘটনার সঙ্গে পুরনো শত্রুতার যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। (Sonarpur Lynching Death)
পুলিশের তদন্ত
কেবো বলেন, ‘গোপাল তাঁর হাত চিরে দেন, হাত মুচড়ে দেন এবং তাঁর স্ত্রীর চুলের মুঠি ধরেন। পরে তাঁর চিৎকারে স্থানীয়রা বেরিয়ে আসেন।’ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী।
(Sonarpur Lynching Death) পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় পল্টু পিন্টু সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গোপালের পরিচিত সুস্মিতা হালদার অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘ফাঁসি চাই, নয়তো যারা আইন হাতে তুলেছে, আমাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হোক।’’











