রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Sundarban: গ্যাসের সিলিন্ডারের জোগান কম, মাঝ সমুদ্রে রান্না না করলে খাবেন কী মৎস্যজীবীরা?

Sundarban
---Advertisement---

এবার গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়ল মৎস্যজীবীদের উপর। সিলিন্ডারের জোগান কম। তাই রান্না হবে কি করে,আর রান্না না হলে খাবেন কি। সেই চিন্তায় আপাতত ঘুম উড়েছে সুন্দরবনবাসীর (Sundarban)। সিলিন্ডারের জোগান কম থাকায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না মৎস্যজীবীরা। একটা ট্রলার সমুদ্রে যাওয়া মানে কম করে সাত থেকে দশদিন থাকতে হয়। যাঁরা যান তাঁদের রান্না করার জন্য জ্বালানি প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় সমস্যা শুরু হয়েছে। সুন্দরবন অঞ্চলের বেশিরভাগ ট্রলারে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বর্তমানে সেটির সরবরাহ কম। তাই সমস্যায় পড়েছেন ট্রলার মালিকরা। চড়া দাম দিয়ে তাঁদের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। অভিযোগ, তাও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না।

এবিষয়ে বাপ্পা সর্দার নামে এক মৎস্যজীবী জানান, “তারা বিভিন্ন জায়গায় গ্যাস সিলিন্ডারের খোঁজ করছেন, কিন্তু কোথাও সিলিন্ডার মিলছে না। এদিকে মাছ না ধরার বিধিনিষেধের সময় শুরুর আগে এখনও দু’টি ট্রিপের মাছ ধরার সময় পড়ে রয়েছে । অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস মাছ ধরা চলবে।”

সাধারণত ট্রলারগুলিতে রান্নার জন্য কাঠ ব্যবহার করা হয় না। গ্যাস সিলিন্ডারেই রান্নাই মৎস্যজীবীদের ভরসা। একটি ট্রলারে ১৫ জনের বেশি মৎস্যজীবী থাকেন এবং সমুদ্রে এক সপ্তাহ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত থাকতে হয় তাদের। এই দীর্ঘ সময়ে রান্না ও খাবারের জন্য গ্যাস সিলিন্ডার অত্যন্ত জরুরি।


সিলিন্ডার না মেলায় অনেক জায়গায় মৎস্যজীবীদের (Sundarban) বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে হচ্ছে এবং প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা করে মজুরি দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ট্রলার মালিকেরা। এতদিন ধরে ট্রলারে থাকার জন্য এক-একটি ট্রলারে রান্নার জন্য প্রয়োজন হয় তিন থেকে চারটি গ্যাসের সিলিন্ডার। সেই সিলিন্ডার বর্তমানে পাওয়া না যাওয়ায় সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অনেক ট্রলার সাত-আট দিনের পরিবর্তে দু-তিন দিন ফিশিংয়ের পরেই ফিরতে বাধ্য হচ্ছে।

পাশাপাশি গ্যাস সিলিন্ডার না পাওয়ায় বাজার থেকে অতিরিক্ত মূল্যে সেই সিলিন্ডার কেনার ফলে বাড়ছে সুন্দরবন ভ্রমণের খরচও। ফলে কমেছে পর্যটকদের সংখ্যা। অনেক পর্যটক বেশি খরচের ভয়ে সুন্দরবনের দিকে পা বাড়াচ্ছেন না। তাতে ঘোরার প্যাকেজের খরচ যা ধরা হয়েছে তার থেকে মাথা পিছু ১০০-৩০০ টাকা পর্যন্ত বেশি চাইছেন বোট মালিকরা। আর তাতেই রাজি হচ্ছেন না পর্যটকরা। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রে যাওয়ার প্রস্তুতির মাঝেই নতুন এই সিলিন্ডার সংকট মৎস্যজীবীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

1 thought on “Sundarban: গ্যাসের সিলিন্ডারের জোগান কম, মাঝ সমুদ্রে রান্না না করলে খাবেন কী মৎস্যজীবীরা?”

Leave a Comment