রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

‘খোঁজ পাচ্ছি না, কেউ বলতে পারছে না’, আতঙ্ক নিয়ে তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় ভাই

Published on: June 24, 2026
Taratala Building Collapse
---Advertisement---

প্রায় ৯ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। তারাতলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে একে একে উদ্ধার করা হচ্ছে লোহার শেডের তলায় চাপা পড়ে যাওয়া শ্রমিকদের। এখনও শেডের নীচে বহু শ্রমিক। উদ্ধারকারীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁদের উদ্ধার করতে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। আহতদের এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারাতলায় বিপর্যয়ের ঘটনা সামনে আসার পর ভুক্তভোগীদের পরিবারের একের পর এক সদস্য হাসপাতালে ভিড় করতে শুরু করেছেন। সেই রকমই এক শ্রমিকের আত্মীয় এসেছেন হাসপাতালে (Taratala Building Collapse)।

উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থেকে এসেছেন পবন চৌধুরী। পবনবাবুর দাদা দুর্ঘটনার সময় তারাতলার এই গোডাউনে কাজ করছিলেন। ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে ফোন যায় বাড়িতে। খবর পেয়েই দাদাকে খুঁজতে দুর্ঘটনাস্থলে চলে আসেন পবনবাবু। তাঁর বক্তব্য, আগে তাঁর দাদা জগদ্দলের একটি জুটমিলে কাজ করছিলেন। জুটমিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তারাতলার এই গোডাউনে কাজ পান। এই দুর্ঘটনার কারণে পরিবারের উপর বিপর্যয় নেমে এসেছে। বাড়িতে তাঁর দাদার দুইটি সন্তান রয়েছে। তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত তিনি। এখন কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না তিনি (Taratala Building Collapse)।

আরও পড়ুন: বজ্রাঘাতের বিভীষিকা মুর্শিদাবাদের গঙ্গার ঘাটে, মৃত্যু ৪; আহত ৩০-এর বেশি

বুধবার দুপুর ১২টা নাগাদ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তারাতলার এই নির্মীয়মাণ গোডাউন। আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধার করা হচ্ছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। কলকাতা পুলিশ উদ্ধার কাজ শুরুর করার ঘণ্টাখানেক পরে রাজ্যের তরফে ফোর্ট উইলিয়ামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেখান থেকে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী আসে । উদ্ধারকাজে পারদর্শী ইঞ্জিনিয়ার এবং চিকিৎসকদের দল পাঠায়। সেনার পাশাপাশি, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর কর্তৃপক্ষ একাধিক বড় ক্রেন, গ্যাস কাটার ও তাঁদের যে নিজস্ব দমকল বাহিনী, অ্যাম্বুল্যান্স, চিকিৎসকদল পাঠিয়ে উদ্ধারকাজে আরও গতি আনেন। রাতেও চলছে উদ্ধারকাজ। সেই কারণে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। জল ও অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment