গতকাল, ৫ সেপ্টেম্বর ছিল শিক্ষক দিবস। সেই উপলক্ষে যাদবপুর টিচার সেলের উদ্যোগে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে মহা সমারোহে পালিত হয় এই অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরি মুখোপাধ্যায় এবং সোনারপুর উত্তরের বিধায়ক দেবাশিস ধর। গান বাজনা, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সম্মান জানানোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে শিক্ষার আলো সমাজের আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। (Teacher’s Day Celebration)
অনুষ্ঠানে এসে যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরি মুখোপাধ্যায় বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া—এই চারটি ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করাই তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য। তাঁর কথায়, এই চার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হবে। সেই পরিবর্তন বাস্তবায়িত না হলে যাঁরা পরিবর্তনের আশা নিয়ে নতুন সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছেন, তাঁদের কাছেও ভুল বার্তা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শিক্ষক দিবসের এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে থাকতে পেরে তিনি আপ্লুত বলেও জানান শর্বরি। যাদবপুরে আগামী দিনে শিক্ষার পরিধি আরও বাড়ানো এবং শিক্ষার আলো আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, সোনারপুর উত্তরের বিধায়ক দেবাশিস ধর রাজ্যের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, শিক্ষার মানের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষার মধ্যে মানের যে তফাৎ রয়েছে, তা কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
দেবাশিস ধর আরও বলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে অতীতে যে ধরনের খারাপ ব্যবহার বা নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে। কোনও শিক্ষক বা শিক্ষিকার উপর এই ধরনের হামলা হলে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেও বার্তা দেন তিনি। শিক্ষার মান উন্নত করতে জেলা প্রশাসনের কাছে একাধিক প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান বিধায়ক। পাশাপাশি স্কুলছুট পড়ুয়ার সংখ্যা কমানো এবং শিক্ষার পরিকাঠামো আরও উন্নত করার দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। (Teacher’s Day Celebration)
জলের দামে বিকোবে পেঁয়াজ? বাজারে ৪ হাজার টন পেঁয়াজ পাঠাল কেন্দ্র
শিক্ষকদের ‘জাতির মেরুদণ্ড’ বলে উল্লেখ করে দেবাশিস ধর বলেন, শিক্ষকদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে পূর্বতন সরকারের আমলে যাঁরা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও চাকরি হারিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই যাতে নিজেদের প্রাপ্য ফিরে পান, সেই আশাও প্রকাশ করেন তিনি।
সব মিলিয়ে, শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে দুই বিধায়কের বক্তব্যেই উঠে এল শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষা এবং সমাজে শিক্ষার আলো আরও ছড়িয়ে দেওয়ার বার্তা।











Feeling lucky today and this app is the perfect place to test my streak. The graphics are top notch. Visit pkluckygameapk now.