সামনেই বিধানসভার ভোট। দিনক্ষণ ঠিক না হলেও রাজনৈতিক দলগুলি জনসংযোগে নেমে পড়েছে। পাশাপাশি দল থেকে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হলেও দেওয়াল লিখন শুরু করে দিয়েছ। এই দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে অশান্তির খবরও মিলছে। (TMC-BJP conflict)

গত বুধাবার পাঁশকুড়া ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সুরানানকা এলাকায় বিজেপির দেয়াল লিখন চলছিল। অভিযোগ, সে সময় একদল দুষ্কৃতী বিজেপি কর্মী সমর্খদের উপরে হামলা চালায়। মাথায় আঘাত পান বিজেপির বুথ সভাপতি গৌতম খামরুই।
বিজেপির অভিযোগ,তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলার পেছনে দায়ী। তাদের দাবি, লোকসভা নির্বাচনে ওই ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে ছিল। কার্যত সেই ভয়েই হামলা চালায় তৃণমূল। এই ঘটনার কারণে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এলাকায়। ঘটনার পরেই পাঁশকুড়া থানায় লিখত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি কর্মীরা। ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। (TMC-BJP conflict)
পাঁশকুড়া নগরমন্ডলের সভাপতি সুকুমার ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচনের সময়ের প্রচার প্রত্যেকটা দলের গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই অধিকারই খর্ব করতে চায় তৃণমূল। তারা ভয় পেয়েছে, কারণ এলাকার মানুষ বদল চাইছেন। প্রচারের সময় এলাকার মানুষে সাড়া পাচ্ছে বিজেপি কর্মীরা। সেই জন্যেই তৃণমূলের এই হামলা। তারা বিজেপিকে কোণঠাসা করতে চাইছে। প্রচার করতে দিচ্ছে না। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিও কোন লাভ হয়নি। তবে এর যদি বিচার না হয় আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে।
যদিও এই হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ নসাৎ করেছেন এলাকার তৃণমূল সভাপতি শুভেন্দু শেখর ভক্ত। তিনি বলেন,এখানে বিজেপির ভুলের জন্যেই এই ঝামেলা হয়েছে, তৃণমূলের কোনও ভূমিকা নেই। বিনা অনুমতিতে বিজেপির কর্মীরা দেওয়াল লিখতে গিয়েছিল। বাড়ির মালিক প্রতিবাদ করলেও তারা শোনেনি। পরে বাড়ির মালিক ও এলাকার মানুষের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে বিজেপির কর্মীরা। উল্টে বাড়ির মালিককে বিজেপির কর্মীরা হেনস্থা করেছে। এখানে কোনওভাবেই তৃণমূল জড়িত নয়।











