---Advertisement---
lifezone nursing home

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তায় কাঁটছাট! আর ‘z’ নন, এবার পাবেন ‘y’ ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

June 3, 2026 12:15 PM
---Advertisement---

সিএবি সভাপতি ও ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনয়াক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমল। এত দিন তিনি ‘জ়েড ক্যাটেগরি’র নিরাপত্তা পেতেন। তবে আর সেই নিরাপত্তা থাকছে না বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি সৌরভের। সিএবি সভাপতি সৌরভকে এ বার ‘ওয়াই ক্যাটেগরি’র নিরাপত্তা দেওয়া হবে। ‘জ়েড ক্যাটেগরি’তে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন অন্তত ৩৫ জন। তার মধ্যে রাজ্য পুলিশের কমান্ডোও থাকেন সুরক্ষা বলয়ে। রাজ্য সরকারের ‘জ়েড ক্যাটেগরি’ নিরাপত্তা যারা পান, তাঁদের সঙ্গে পাইলট কারও থাকে। তবে ‘ওয়াই ক্যাটেগরি’তে তিন থেকে চার জন থাকেন নিরাপত্তার দায়িত্বে। তাঁদের মধ্যে দু’জন সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী (Sourav Ganguly Security)।

২০২৩ সালের মে মাসে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক এবং বিসিসিআই-এর প্রাক্তন সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার সিদ্ধান্ত নেয়। ‘Y’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তার বদলে ‘Z’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়। ১৬ মে রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। ‘Z’ ক্যাটাগরি হল সেইসব নিরাপত্তা স্তরের অন্যতম, যা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের মূল্যায়নের ভিত্তিতে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ বা বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তিদের দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর সম্ভাব্য হুমকির মাত্রার উপর ভিত্তি করে এই নিরাপত্তার ধরন ও পরিধি নির্ধারিত হয়। নিরাপত্তার মোট ছয়টি স্তর রয়েছে; এর মধ্যে ‘Z’ ক্যাটাগরির অবস্থান কেবল ‘Z+’ এবং ‘SPG’ ক্যাটাগরির ঠিক নীচেই। ‘SPG’ ক্যাটাগরি হল নিরাপত্তার সর্বোচ্চ স্তর, যা একান্তভাবেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংরক্ষিত (Sourav Ganguly Security)।

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন নেতানেত্রী থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনেদের নিরাপত্তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে। একজন সাংসদ হিসাবে তাঁর প্রাপ্য নিরাপত্তাই পাবেন অভিষেক। তার পরে একে একে অনেক তৃণমূল নেতা, প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিকদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করে শুভেন্দুর সরকার।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment