ভেনেজুয়েলা সীমান্তের কাছে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ কলম্বিয়া। বুধবার দুপুরে ১৫ জন যাত্রী ও ক্রু নিয়ে একটি ছোট যাত্রীবাহী বিমান ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনায় বিমানের সব আরোহীর মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কলম্বিয়ার অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
বিচক্রাফ্ট ১৯০০ মডেলের ওই টুইন-প্রপেলার বিমানটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সাতেনা (Satena) পরিচালন করত। উড়ানটি সীমান্ত শহর কুকুটা থেকে ওকানার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে অবতরণের কয়েক মিনিট আগে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫ মিনিট নাগাদ এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে ভেনেজুয়েলা-কলম্বিয়া সীমান্ত সংলগ্ন কাতাতুম্বো পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘ তল্লাশির পর ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হয়।
উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই। বিমানে ২ জন ক্রু ও ১৩ জন যাত্রী ছিলেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন কলম্বিয়ার চেম্বার অফ ডেপুটিজের সদস্য ডায়োজিনেস কুইন্টেরো এবং আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলা রাজনৈতিক প্রার্থী কার্লোস সালসেডো। স্থানীয় সংসদ সদস্য উইলমার ক্যারিলো জানান, তাঁর একাধিক সহকর্মী ওই বিমানে ছিলেন, যা এই দুর্ঘটনাকে রাজনৈতিক মহলে আরও বেদনাদায়ক করে তুলেছে।
✈️ Tragedia aérea
— El Regional (@regionalmorelos) January 29, 2026
Avión de Satena que cubría la ruta Cúcuta–Ocaña se estrelló en Norte de Santander. El accidente dejó 15 muertos, entre ellos el congresista Diógenes Quintero.#Satena #AccidenteAéreo #Colombia 🕊️🇨🇴 pic.twitter.com/aKVD30eWbZ
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি, তবে পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি ও পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে তদন্ত শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, কুকুটা ও আশপাশের অঞ্চল পাহাড়ি ও নিরাপত্তার দিক থেকেও সংবেদনশীল। এই অঞ্চলের কিছু অংশে সক্রিয় গেরিলা সংগঠনের উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। সব মিলিয়ে, এই দুর্ঘটনা কলম্বিয়ার জন্য এক গভীর জাতীয় শোকের মুহূর্ত হয়ে রইল।
আগুন আর কালো ধোঁয়া, কী হয়েছিল অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার পর? মুখ খুললেন প্রত্যক্ষদর্শীরা









