ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Teacher Encourages Child: টিফিনে মেনু চিনি দিয়ে একটুকরো রুটি, শিক্ষিকার কথায় মিটে গেল সব ভেদাভেদ

Teacher Encourages Child
---Advertisement---

এখানে ধনী, নিম্নবিত্তের ভেদাভেদ নয়। বিষয়টি আত্মসন্মানের, আত্মমর্যাদার। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেই মর্মস্পর্শী ভিডিয়ো দেখে অনেকেই আবেগে আপ্লুত হয়েছেন। ভিডিয়োটিতে (Teacher Encourages Child) দেখা যাচ্ছে, একটি ক্লাসরুম। সেই ক্লাসরুমে সব বাচ্চারাই একসঙ্গে বসে দুপুরে নিজেদের টিফিন খাচ্ছেন। তাদের মধ্যে একটি শিশুর কাছে শুধু চিনি আর রুটি আছে। তখন এক শিক্ষিকা হেঁটে এসে তার কাছে গিয়ে বলেন, ‘তুমি টিফিনে কী এনেছো’?

এরপরই বাঁধা একটি কাপড় থেকে রুটি বার করে। রুটির ভিতরে চিনিও ছিল। সেই টিফিন খেতে আনন্দের সঙ্গে উৎসাহ দেন ওই শিক্ষিকা। শিক্ষিকার জিজ্ঞাসার পর হয়তো শিশুটির দিক দিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত। কিন্তু শিক্ষিকা বিষয়টিকে খুব ভালোভাবে সামলে নেন। শিশুটিকে কখনই অন্যদের থেকে আলাদা অনুভব করতে দেননি। তিনি খুব শান্ত ও শ্রদ্ধাশীল হয়ে শিশুর সঙ্গে কথা বলেন। শিশুর কাছে যে শুধু রুটি আর চিনি আছে, তা থেকে বোঝা যায় যে তার বাড়িতে হয়তো পর্যাপ্ত খাবার পায় না সে। অত্যন্ত নিম্নবত্তি ঘরের সন্তান।

সমাজমাধ্যমে হৃদয়স্পর্শী এই ভিডিয়োটিই ভাইরাল হয়েছে। যেখানে সাধারণ টিফিন নিয়ে আসা একটি শিশুর প্রতি একজন শিক্ষকের সহানুভূতিশীল প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ভিডিয়োটি লক্ষ লক্ষ দর্শকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। ক্লিপটিতে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যেখানে একজন ছোট্ট ছাত্র তার টিফিন বক্সে শুধু রুটি আর চিনি নিয়ে স্কুলে আসে। ভিডিয়োটির অন্যতম বিষয় হলো, ওই শিক্ষিকা শিশুটিকে নিজের আত্মমর্যাদা বজায় রাখতে শেখালেন।

তাকে শিক্ষিকা প্রশ্ন করায় শিশুটি (Teacher Encourages Child) বিব্রত হওয়ার পরিবর্তে, উৎসাহের সঙ্গে উত্তর দেয়। শিক্ষিকা শিশুটিকে এমন কোনও প্রশ্ন করেননি যা তাকে অস্বস্তিতে ফেলতে পারে। নিম্নবিত্ত হওয়াটা যে কোনও দোষ নয়, সে বিষয়ে শিশুটি যাতে স্বাচ্ছন্দ্য ও সম্মানিত বোধ করে, ওই শিক্ষিকা তা নিশ্চিত করেন।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now