রাজস্থানের উদয়পুরে এখন নাকি বাঘ-ভালুক নয়, সবচেয়ে বড় আতঙ্ক এক খুদে কাঠবিড়ালি! (Rajasthan Squirrel) শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও, মোহনলাল সুখাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (MLSU) পড়ুয়া থেকে অধ্যাপক— সকলের মুখে এখন একটাই নাম, “সাইকো স্কুইরেল”!
বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস কলেজের সাইকোলজি বিভাগের সামনে গেলেই নাকি শুরু হচ্ছে থ্রিলার সিনেমার দৃশ্য। গাছের ডাল থেকে আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়ছে এক দুষ্টু কাঠবিড়ালি, তারপর টুপ করে কামড় বসিয়ে মুহূর্তে উধাও! গত ছয় সপ্তাহে প্রায় ১৮-২০ জন পড়ুয়া ও কর্মী এই ‘হামলার’ শিকার হয়েছেন। এমনকি রেহাই পাননি কলেজের ডিনও!
এখন অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, সাইকোলজি বিভাগের রাস্তা দিয়ে হাঁটার আগে অনেকেই চারপাশ দেখে নিচ্ছেন— “ওই যে, গাছের ডালে বসে নেই তো?” কেউ কেউ আবার মজা করে বলছেন, “এটা কাঠবিড়ালি নয়, পুরো স্নাইপার!”
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীদের ধারণা, ওই কাঠবিড়ালির বাসা সম্ভবত সাইকোলজি বিভাগের কাছেই কোথাও। আর তাই নিজের এলাকা বাঁচাতেই সে হয়ে উঠেছে অতিরিক্ত ‘পজেসিভ’। তবে তার আক্রমণের স্টাইল দেখে অনেকেই বলছেন, “এ তো পুরো গেরিলা যুদ্ধ!”
পরিস্থিতি সামাল দিতে দু’বার ডাকা হয়েছে অ্যানিম্যাল এইড রেসকিউ টিম। খাঁচা পাতা হয়েছে নানা জায়গায়। কিন্তু কাঠবিড়ালি মহাশয় এতটাই চালাক যে, প্রতিবারই সবাইকে বোকা বানিয়ে গাছের ডালে চম্পট দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিকের কথায়, “ওকে ধরতে গিয়ে আমাদেরই অবস্থা খারাপ!”
(Rajasthan Squirrel) এদিকে পশুপালন দফতরের চিকিৎসক শৈলেন্দ্র কুমার শর্মা জানিয়েছেন, কাঠবিড়ালির কামড়ে জলাতঙ্কের ভয় নেই ঠিকই, তবে টিটেনাস নেওয়া জরুরি। তাঁর মতে, আংশিক দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, ভয় বা কোনও বিশেষ রঙের প্রতি বিরক্তি থেকেও প্রাণীরা হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এখন একটাই প্রশ্ন— “ক্লাসে যাব, না আগে কাঠবিড়ালির মুড বুঝব?”
উদয়পুরের এই খুদে ‘ডন’-কে ঘিরে কেউ কেউ বলছেন, “সাইকোলজি বিভাগের সামনে থেকেই আক্রমণ— কাঠবিড়ালিও বোধহয় মানসিক চাপের শিকার!”ক্যাম্পাসে এখন মজার ছলেই অনেকে বলছেন, ‘এখানে ক্লাসের আগে উপস্থিতি নয়, আগে কাঠবিড়ালির অনুমতি লাগে!’(Rajasthan Squirrel)
আরও পড়ুন : Madhya Pradesh Cruise Boat Tragedy: ঝড়ের দাপটে উল্টে গেল ক্রুজ, মধ্যপ্রদেশের মৃত ৯











