শ্রমিক দিবসের দিন পঞ্জাবের রাজনীতিতে তৈরি নতুন বিতর্কের ঝড়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠল পাঞ্জাব বিধানসভা। বিরোধীদের দাবি, অধিবেশনে যোগ দিতে এসে তিনি স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন না, এমনকী মদ্যপ অবস্থায় উপস্থিত হওয়ার অভিযোগও তোলা হয়। এই অভিযোগ ঘিরেই বিধানসভায় শুরু হয় তীব্র হট্টগোল। (Bhagwant Mann)
বিরোধী কংগ্রেস ও শিরোমণি আকালি দলের বিধায়করা অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর আচরণে অস্বাভাবিকতা ছিল। তাঁরা দাবি করেন, বক্তব্য রাখার সময়ো তাঁর কথা বলার ধরন ও শারীরিক ভাষায় অসঙ্গতি চোখে পড়ে, যা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। এই প্রসঙ্গ তুলতেই শাসক আম আদমি পার্টির সদস্যরা প্রতিবাদে সরব হন এবং দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতন্ডা শুরু হয়। (Bhagwant Mann)
পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, অধিবেশন কিছু সময়ের জন্য স্থগিত রাখতে হয়। স্পিকার একাধিকবার শান্ত থাকার আহ্বান জানালেও হট্টগোল থামেনি। বিরোধীদের একাংশ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তোলে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার আবেদন জানায়।
অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির তরফে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে। দলের নেতাদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁদের দাবি, কোনও প্রমাণ ছাড়াই এমন অভিযোগ তোলা গণতান্ত্রিক রীতিনীতির পরিপন্থী।(Bhagwant Mann)
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। বিরোধীরা যেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দাবি তুলছে, সেখানে শাসক দল এটিকে বিরোধীদের ‘ডাইভারশন পলিটিক্স’ বলেই ব্যাখ্যা করছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়। এক পুলিশ আধিকারিকের কথায়, “পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হলেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বিধানসভা চত্বরে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণভাবে বজায় রাখা হয়েছে।” (Bhagwant Mann)
সব মিলিয়ে, শ্রমিক দিবসের দিনে পাঞ্জাব বিধানসভায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। অভিযোগ-প্রতিঅভিযোগের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।











