---Advertisement---
lifezone nursing home

রয়েছে ইরানের যোগ, তাজমহলের সামনে ছবি তুলতেই মার্কো রুবিওকে তোপ তেহরানের

May 26, 2026 6:25 PM
Marco Rubio
---Advertisement---

তাজমহলের সামনে বসে ছবি তুলেছিলেন মার্কিন বিদেশসচিব সস্ত্রীক মার্কো রুবিও (Marco Rubio)। তখন কি জানতেন এই নিয়ে এত জলঘোলা হবে? সমাজমাধ্যমে এই ছবি পোস্ট করেন তিনি। এখনও অব্যহত ইরান-আমেরিকার সংঘাত। এবার তাজমহলকেই হাতিয়ার করল ইরান। মার্কো রুবিও ভারত সফরের এই ছবি ঘিরে নতুন করে শুরু হলো বিতর্ক।

মার্কিন বিদেশসচিব রুবিওর পোস্ট সামনে আসতে হায়দরাবাদে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেট সমাজমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। তাদের বক্তব্য, “ইতিহাস বা স্থাপত্য সম্পর্কে যদি সত্যিই ধারণা থাকত, তা হলে এই জায়গায় দাঁড়িয়ে এমন ছবি তুলতেন না তিনি।”

এখানেই থেমে থাকেনি কটাক্ষ। ইরানের তরফে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়, “এই সৌধ তৈরি হয়েছিল এক সম্রাটের ইরানি স্ত্রীর স্মৃতিতে। ইরানি স্থপতিদের প্রতিভায় গড়ে উঠেছিল তাজমহল। অথচ আজ সেই ইরানি সভ্যতাকেই ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছে তাঁর সরকার।”

তাজমহলের সঙ্গে ইরানের যোগসূত্র বহুদিনের। তাজমহলের স্থাপত্যেও স্পষ্ট পারস্যের ছাপ রয়েছে। বিশাল গম্বুজ, মার্বেলের সূক্ষ্ম কারুকাজ সবই পারস্য স্থাপত্যশৈলীর প্রভাব বহন করে। বিশেষ করে ‘চারবাগ’ বাগান পরিকল্পনা। এটি সরাসরি পারস্য ঐতিহ্য থেকে এসেছে। চারটি জলপথ দিয়ে ভাগ করা সেই বাগান স্বর্গের চার নদীর প্রতীক বলে মনে করা হয়।

এমনকি, তাজমহলের দেওয়ালে যে কোরানের আয়াত খোদাই করা রয়েছে, তার নকশা করেছিলেন ইরানের শিরাজ শহরের বিখ্যাত ক্যালিগ্রাফার আবদুল হক। পরে শাহজাহান তাঁকে ‘আমানত খান’ উপাধি দিয়েছিলেন।

তাজমহল আসলে পারস্য শিল্পভাবনা ও ভারতীয় কারিগরির এক অনন্য মেলবন্ধন। আর সেই ঐতিহাসিক যোগসূত্রকেই এবার রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করল ইরান।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment