বিধানসভা ভোটের আবহে মাছ চোর গানে মজে ছিল আম বাঙালি। তৎকালীন শাসকদলের প্রাক্তন বিধায়ককে নিয়ে মজার ছলে তৈরি হয়েছিল এই গান। এবার এই গানের সার্থকতা খুঁজে পেল রাজপুর সোনারপুর। ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বরুণ সরকার।
শনিবার ভোরের আলো ফুটতেই সোনারপুর থানার পুলিশ গিয়ে পাকড়াও করে ওই কাউন্সিলরকে (TMC councilor Arrest)। তাঁর বিরুদ্ধে একটি ভেড়ি থেকে টন টন মাছ চুরির মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। প্রধান বিরোধী দলের একজন নির্বাচিত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে এমন ‘নজিরবিহীন’ চুরির অভিযোগে স্বাভাবিকভাবেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই রাজপুর-সোনারপুর সংলগ্ন ওই ভেড়িটি নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। শনিবার সকালে ভেড়ি থেকে মাছ চুরির চেষ্টার অভিযোগ ওঠে বরুণের বিরুদ্ধে। অভিযোগের আঙুল ওঠে সরাসরি ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের দিকে। ভোররাতে কোমর বেঁধে ময়দানে নামে সোনারপুর থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, এলাকা ঘিরে ফেলে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় বরুণ সরকারকে।
অন্যদিকে, সরকারি ত্রাণ সামগ্রী মজুত রাখার অভিযোগে বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সদস্য সুধাংশু নস্কর ওরফে ভাস্করকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার ভোরে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বারুইপুর থানার এসআই অর্ঘ্য মণ্ডল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে সালেপুরের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সুধাংশু নস্করের বাড়িতে তল্লাশি চালান। তল্লাশিতে রাজ্য সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য বরাদ্দ ৭০টি প্লাস্টিক ত্রিপল, ৩০টি কম্বল ও ৬টি সিল করা বাসনপত্রের প্যাকেট উদ্ধার হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত সুধাংশু নস্কর ওই সরকারি ত্রাণ সামগ্রী রাখার কোনও বৈধ কাগজপত্র বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।









