---Advertisement---
lifezone nursing home

ঢাকা থাকবে শরীর, বাজবে না গান! কেরালায় ‘ইসলাম-ফ্রেন্ডলি’ জিম ঘিরে বিতর্ক

June 4, 2026 5:01 PM
Islam Friendly Gym
---Advertisement---

ধর্মীয় বিধি মেনে পরিচালিত হবে জিম। থাকবে না কোনও গান-বাজনা, পুরুষ ও মহিলাদের জন্য থাকবে আলাদা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, আর শরীরের নির্দিষ্ট অংশ ঢেকে রাখার নিয়মও হবে বাধ্যতামূলক। কেরালায় পালাক্কাড় জেলার পুথুনাগরমে এমনই এক ‘ইসলাম-ফ্রেন্ডলি’ জিম (Islam Friendly Gym) চালুর ঘোষণা ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

প্রায় ১৫ বছর ধরে চলা একটি ফিটনেস সেন্টারকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনার কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন জিমের মালিক। তাঁর দাবি, এটি হবে এলাকার প্রথম এমন জিম, যা ইসলামি নীতিমালা মেনে পরিচালিত হবে। তবে শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য নয়, যে কোনও ধর্মের মানুষই এখানে সদস্য হতে পারবেন, যদি তাঁরা জিমের নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে রাজি থাকেন।

জিম কর্তৃপক্ষের ঘোষিত নিয়ম অনুযায়ী, (Islam Friendly Gym) ব্যায়ামের সময় কোনও ধরনের সঙ্গীত বাজানো হবে না। পাশাপাশি ইসলামি শিক্ষায় ‘আওরাহ’ বা শরীরের যে অংশ ঢেকে রাখা প্রয়োজন বলে মনে করা হয়, তা আবৃত রাখতেই হবে। মহিলাদের জন্য শালীন পোশাক বাধ্যতামূলক করা হবে এবং হিজাব পরার বিষয়েও জোর দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

(Islam Friendly Gym) এছাড়াও পুরুষ ও মহিলাদের একসঙ্গে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে না। তাঁদের জন্য আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। জিমের মালিকের দাবি, ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি স্বচ্ছন্দ পরিবেশ গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। একাংশের মতে, এটি একটি ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক উদ্যোগ। কোনও আইন ভঙ্গ না হলে উদ্যোক্তার নিজের পছন্দ অনুযায়ী নিয়ম তৈরির অধিকার রয়েছে। তাঁদের যুক্তি, যেমন মহিলাদের জন্য বিশেষ জিম বা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন পরিষেবা চালু হয়, এটিও তেমনই একটি উদ্যোগ।

(Islam Friendly Gym) অন্যদিকে সমালোচকদের একাংশের দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ সমাজে বিভাজন ও ধর্মীয় পৃথকীকরণের প্রবণতাকে উৎসাহিত করতে পারে। বিশেষ করে নারী-পুরুষের পৃথক প্রশিক্ষণ, পোশাকবিধি এবং ধর্মীয় নিয়মের বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

সামাজিক মাধ্যমে এক ব্যবহারকারী লেখেন, “যদি তারা কোনও আইনভঙ্গ না করে এবং অন্যের ক্ষতি না করে, তাহলে এতে আপত্তির কিছু নেই। এটি তাদের অধিকার।” আবার অন্য এক নেটিজেনের মন্তব্য, “এ ধরনের উদ্যোগ দেশে ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় রক্ষণশীলতার ইঙ্গিত বহন করছে।” আরও একজনের কটাক্ষ, “ফিটনেস সেন্টার না ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান—সেই প্রশ্নই উঠছে।”

ঘটনাটি ঘিরে কেবল একটি জিম নয়, বরং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, ধর্মীয় পরিচয়, পোশাকবিধি এবং জনপরিসরে ধর্মের ভূমিকা নিয়ে বৃহত্তর বিতর্কও সামনে এসেছে। কেরালার এই (Islam Friendly Gym) ‘ইসলাম-ফ্রেন্ডলি’ জিম শেষ পর্যন্ত কতটা সাড়া পায়, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।

মুজফ্ফরপুরের এক হাসপাতালে আগুন, তিন জনের মৃত্যু


Ishani Halder

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও ক্রিকেটের খবরের প্রতি আলাদা আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই সাংবাদিকতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। মূলত খেলার খবর লিখতেই বেশি ভালো লাগে, পাশাপাশি রাজনীতি, ভাইরাল ও বিভিন্ন চলতি বিষয় নিয়েও খবর লিখতে বিশেষ আগ্রহী। খেলাধুলা দেখতে ও তার বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে ভালো লাগে। দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। লেখালিখির পাশাপাশি বই পড়তে খুব ভালো লাগে এবং নতুন বিষয় জানতে সবসময় আগ্রহী।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment