---Advertisement---
lifezone nursing home

প্রবল ঝড় ও বজ্রপাত বিপর্যয় পাকিস্তানে, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৭ জনের

June 14, 2026 5:52 PM
---Advertisement---

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে ফের প্রকৃতির রুদ্ররূপ। প্রবল ঝড়, বজ্রপাত এবং ভারী বৃষ্টির জেরে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৩ জন। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (PDMA)-র রিপোর্ট অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে রয়েছেন চার জন পুরুষ, এক জন মহিলা এবং দুই শিশু। বান্নু, শাংলা ও মানসেহরা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মৃত্যুর খবর এসেছে। (Pakistan Disaster)

PDMA জানিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির কারণে বাড়ির দেওয়াল এবং ছাদ ভেঙে পড়ে এই হতাহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালগুলিতে ভর্তি করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। (Pakistan Disaster)

চলতি মাসের শুরুতেও একই ধরনের দুর্যোগে খাইবার পাখতুনখোয়ায় অন্তত দুই জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং আহত হয়েছিলেন ৩১ জন। ফলে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত ও আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে পাকিস্তান আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবারও খাইবার পাখতুনখোয়ার উঁচু পার্বত্য অঞ্চলগুলিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি পাকিস্তান অধিকৃত গিলগিট-বালতিস্তান এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক এলাকাতেও বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য অংশে গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। (Pakistan Disaster)

এই পরিস্থিতির মধ্যেই দুর্যোগ মোকাবিলায় পাকিস্তানের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির আগাম পূর্বাভাস থাকা সত্ত্বেও ক্ষয়ক্ষতি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে একাধিক ঘাটতি সামনে এসেছে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA) আগেই পঞ্জাব, খাইবার পাখতুনখোয়া, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তান অধিকৃত গিলগিট-বালতিস্তানকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে সতর্কতা জারি করেছিল। (Pakistan Disaster)

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চিত্রাল, সোয়াত, লাহোর এবং রাওয়ালপিন্ডির মতো এলাকাগুলিকেও সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হিসেবে আগে থেকেই চিহ্নিত করা হয়েছিল। বৃষ্টির পরিমাণ, ঝড়ের গতিবেগ এবং সম্ভাব্য বিপদের বিষয়ে বিস্তারিত পূর্বাভাস দেওয়া হলেও সেই সতর্কবার্তাকে কাজে লাগিয়ে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক তৎপরতা যথেষ্ট ছিল না বলেই অভিযোগ। ফলে সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নতি হলেও, তৃণমূল স্তরে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ এখনও পাকিস্তানের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গিয়েছে। (Pakistan Disaster)

আরও পড়ুন :- দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ! দিল্লির বহুতলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার ৩


Ranita Saha

নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে থেকেই সাংবাদিকতার পেশায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। কলেজ জীবন থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি শুরু। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিতেও স্বচ্ছন্দ। রাজনীতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক এবং বিনোদন সংক্রান্ত খবর লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বই একমাত্র বন্ধু। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ এবং আঁকা ভালোবাসার বিষয়।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment