রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

মেট্রোর পর এবার গঙ্গার নীচে হাইওয়ে, কলকাতার যানজট এড়াতে কেন্দ্রের নয়া উদ্যোগ

---Advertisement---

গঙ্গার তলদেশ দিয়ে রোজই ছুটছে মেট্রো। এবার ছুটবে পণ্যবাহী গাড়িও। রাজ্যে পালা বদলের পর নতুন সরকারের এই উদ্যোগই হবে যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। যতদিন বাড়ছে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। এবার এই যানজটের পরিমাণ কমাতে হুগলি নদীর তলদেশ দিয়ে একটি বিশাল ‘আন্ডারওয়াটার টানেল’ বা জলের তলার সুড়ঙ্গ তৈরির মেগা পরিকল্পনা নিচ্ছে এরাজ্যের নতুন সরকার (Ganga Underwater Road Tunnel)।

এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সোমবার পুর নগরোন্নয়ন প্রতি মন্ত্রী উমেশ রাই (Ganga Underwater Road Tunnel) বলেন, “গঙ্গার নিচে আমরা হাইওয়ে তৈরি করব। এই হাইওয়ে তৈরি করার পরিকল্পনা আমাদের আগে থেকেই ছিল। কেন্দ্রীয় পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রী নীতিন গডকড়ীর সঙ্গে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কথা বলেছেন। একটা বাজেট নির্ধারণের পর আমরা খুব শীঘ্রই আলোচনায় বসব যাতে তাড়াতাড়ি টানেল তৈরি কাজ শুরু হয়। এতে হাওড়া ব্রিজের উপরের চাপ কিছুটা কমবে। সাঁতরাগাছির যানজটও কমবে। বড় বড় গাড়িগুলো এই পথ দিয়েই পোর্টের দিকে চলে যাবে। তাতে কিছুটা সময় বাঁচবে।”

তিনি আরও বলেন, “এই প্রকল্প তৈরি করতে জমি দেবে কেন্দ্র। রাজ্য সরকারও কিছু জমি দেবে। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্রকল্প। এতদিন রাজ্যবাসী জলের নিচে মেট্রো দেখেছে। এবার টানেল দেখবে। টানেলটি শালিমার থেকে কলকাতা পোর্ট এরিয়া পর্যন্ত হবে।”

কলকাতা বন্দরকে জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরও দ্রুত ও কার্যকর ভাবে যুক্ত করতে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন। দিন কয়েক আগে নবান্নে কেন্দ্রীয় জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।

এই মেগা প্রকল্প সম্পন্ন হলে কেবল কলকাতার যানজট সমস্যারই সমাধান হবে না, বরং কলকাতা সংলগ্ন বন্দরের কর্মক্ষমতা ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। টানেল চালু হওয়ার ফলে রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের নতুন জোয়ার আসবে, আমদানি, রফতানি গতি পাবে এবং সামগ্রিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment