---Advertisement---
lifezone nursing home

‘৩৫০ সুগার, কিডনি খারাপ’, তৃণমূলের সব পদ ছাড়লেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

June 19, 2026 1:35 PM
Jyotipriya Mallick
---Advertisement---

দীর্ঘদিন জেলমুক্তির পেয়েছিলেন দলনেত্রীর সার্টিফিকেট। ছাব্বিশের ভোটের টিকিটও পেয়েছিলেন। ভোটে হারের পরেও তাঁর উপরে ভরসা রেখেছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই ভরসাই ভাঙলেন তাঁর প্রিয় বালু। এবার দলের যাবতীয় পদ ছাড়লেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। গত শনিবারই জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) ওরফে বালুকে দলের জাতীয় কর্ম সমিতির সদস্য করা হয়েছিল। সপ্তাহও পেরনোর আগেই ইস্তফা দিলেন তিনি।

সূত্রের খবর, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) তাঁর ইস্তফাপত্র নেতৃত্বের কাছে পাঠিয়েছেন। যদিও ইস্তফার কারণ সম্পর্কে এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। তৃণমূলের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে জ্যোতিপ্রিয় জানিয়েছেন, “আমার ৩৫০-এর উপর সুগার, কিডনি খারাপ হয়ে গিয়েছে। তাই এই অবস্থায় দলের কোনও কাজকর্মে আমি এখন যুক্ত থাকতে পারছি না। তাই সব পদ ছেড়ে দিলাম।” যার পর প্রশ্ন উঠছে, তিনি ভোটে জিতলে কি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতেন?

ছাব্বিশের ভোটের পর থেকেই ভরাডুবি শাসকদলে। একে একে দল ছাড়ছেন অনেকেই। এমনকি সাংসদীয় ও পরিষদীয় দলেও ভাঙন আটকাতে পারেননি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের সঙ্গী ছিলেন তিনি। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে টানা তিনবার তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক নির্বাচিত হন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে তিনি দুটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্বও সামলেছেন।

রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৩ সালের ২৭শে অক্টোবর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তাঁকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর, ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি তিনি জামিন পান। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পুনরায় হাবড়া কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন। হারের পরেও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ওপর আস্থা রেখে দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারক কমিটি তথা ‘জাতীয় কর্মসমিতি’-র সদস্য মনোনীত করেছিলেন। কিন্তু তারপরেই দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেন তিনি। অনেকের মতে, তাঁর ইস্তফার অন্যতম কারণ তৃণমূলের ভরাডুবি।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment