রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

প্রধানমন্ত্রীর দু’দিনের বঙ্গ সফর, তারকেশ্বরে মেগা কর্মসূচি

pm modi
---Advertisement---

বাংলায় সরকার বদলেছে। গত ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের দিন রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার প্রায় দেড়মাস পড়ে দুদিনের ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে ফের বঙ্গসফরে মোদি (pm modi)। আজ ও কাল দুদিনের মেগা ইভেন্ট। আজ বিকেলেই হুগলির তারকেশ্বরে সভা রয়েছে তাঁর। এই সভা থেকে একাধিক প্রকল্পের সূচনা করবেন তিনি। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ রেডরোডে যোগা দিবসের অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন।

যোগা দিবসের কর্মসূচি শেষ করেই প্রধানমন্ত্রী পৌঁছে যাবেন কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরে। সেখানে ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি ও জলসীমার নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত তিনটি অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন। কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (GRSE)-এ তৈরি এই জাহাজগুলিতে ৭৫ শতাংশেরও বেশি দেশীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যা দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে (pm modi)।

আজ পশ্চিমবঙ্গ দিবস। এই পশ্চিমবঙ্গ দিবসে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে, বঙ্গ সফরে আসার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “এই দিনটি এমন এক রাজ্যকে উদযাপন করে যা সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও ব্যবসা, সমাজ সংস্কার এবং আরও অনেক বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে তার অবদানের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসকে রূপদান করেছে। বারবার, অগণিত ভাবে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনেই নিশ্চিত করা হয়েছিল যে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অংশ হিসেবেই থাকবে।”

তিনি আরও লেখেন, “এর পেছনে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান অনেক। ২০২৬ সালে, আমরা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীও পালন করছি। জনগণের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। আমি পশ্চিমবঙ্গের অগ্রগতি এবং পশ্চিমবঙ্গবাসীর সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করছি।”


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment