রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

জাপানে মুক্তি পাচ্ছে ‘ধুরন্ধর’, দর্শকদের উদ্দেশে আবেগঘন পোস্ট রণবীরের

Ranveer Singh
---Advertisement---

বক্স অফিসে ভারতে প্রায় ৮৪০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে ‘ধুরন্ধর’। এবার জাপানে মুক্তি পেতে চলেছে পরিচালক আদিত্য ধরের বহুল আলোচিত ছবি ‘ধুরন্ধর’। আগামী ১০ জুলাই জাপানের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। তার আগে দর্শকদের জন্য সমাজ মাধ্যমে আবেগঘন একটি ভিডিয়ো পোস্ট করলেন, অভিনেতা রণবীর সিং (Ranveer Singh)।

জিও স্টুডিওস-এর ইনস্টাগ্রাম পেজে জাপানের দর্শকদের উদ্দেশে একটি ভিডিয়ো বার্তা পোস্ট করেন (Ranveer Singh)। সেখানে তিনি বলেন, “জাপানের সকল দর্শকদের জানাই উষ্ণ অভিবাদন। জাপানে মুক্তি পেতে চলেছে ‘ধুরন্ধর’। নাটক, আবেগ, অ্যাকশন এবং রোমাঞ্চকর গল্পে ভরপুর এই ছবিটি বড় পর্দায় আপনারা দেখতে চলেছেন। এই ছবি দেখার জন্য সকলকে প্রেক্ষাগৃহে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”

২০২৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে ‘ধুরন্ধর’ ছবিটি মুক্তি পেলেও জাপানে মুক্তি পায়নি। ভারতের পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও ভালো ব্যবসা করেছে। ছবিটি বিদেশে প্রায় ২৯৯.৫০ কোটি টাকা আয় করেছে।

জাপানে সর্বাধিক আয় করা ভারতীয় ছবির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘মুথু’, যার আয় ৪০৫ মিলিয়ন ইয়েন। এরপর রয়েছে ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন’ (৩০৫ মিলিয়ন ইয়েন), ‘থ্রি ইডিয়টস’ (১৭০ মিলিয়ন ইয়েন) এবং ‘ইংলিশ ভিংলিশ’ (১৬০ মিলিয়ন ইয়েন)। এছাড়াও ‘দ্য লাঞ্চবক্স’, ‘সাহো’, ‘মগধীরা’, ‘এন্থিরান (রোবট)’ এবং ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’-ও জাপানে উল্লেখযোগ্য ব্যবসা করেছে।

আরও পড়ুন: দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা: ট্রেলারে ধাক্কায় খাদে বাস, আগুন, পুড়ে মৃত ৭, আহত ১৫-এর বেশি

বিশ্বজুড়ে সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্রের তালিকায় ‘ধুরন্ধর’ ছবিটি পঞ্চম স্থানে রয়েছে। প্রথম তালিকায় রয়েছে, ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন’, তৃতীয় স্থানে রয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ এবং ‘দঙ্গল’-রয়েছে চতুর্থ স্থানে। জাপানের বক্স অফিসে ‘ধুরন্ধর’ কেমন সাড়া ফেলে এখন সেটাই দেখার।

এদিকে, অভিনেতা রণবীরের সিং অভিনয় করতে চলেছেন, জয় মেহতার ছবি ‘প্রলয়’-তে। শোনা যাচ্ছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই অস্ট্রেলিয়ায় এই ছবিটির শুটিং শুরু হবে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment