---Advertisement---

‘কাট’ বলার পরও থামেননি কঙ্গনা? ঘনিষ্ঠ চুম্বনের দৃশ্যে অভিনেতার ঠোঁট কেটে পড়ছিল রক্ত!

June 29, 2026 1:08 PM
Kangana Ranaut
---Advertisement---

বলিউড অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াতের একটি ছবির দৃশ্য ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যা ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ২০১৪ সালের ‘রিভলবার রানি’ ছবিতে একটি চুম্বনের দৃশ্য ছিল। এই ছবির মুক্তির প্রায় এক দশক পর এই চুম্বনের দৃশ্য ঘিরেই নতুন বিতর্ক শুরু হল। অভিনেত্রীর চুম্বনে অভিনেতা বীর দাসের ঠোঁট বেয়ে ঝরঝর করে রক্ত পড়ছিল। পরিচালকের কাট বলার পরেও নাকি থামেননি কঙ্গনা। কঙ্গনা রানাওয়াতকে নিয়ে এক সাংবাদিকের বিস্ফোরক মন্তব্যে সরগরম সমাজমাধ্যম (Kangana Ranaut)।

এই পুরনো ঘটনাটি সাংবাদিক সিমি চান্দোক সিদ্ধার্থ কান্নান তাঁর নিজের পডকাস্টে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, “কঙ্গনা (Kangana Ranaut) যখন ‘রিভলভার রানি’-র শুটিং করছিলেন, সেই কঠিন সময়ের কথা মনে করে অভিনেতা বীর দাস হয়তো এখনও কাঁদছেন। দৃশ্য অনুযায়ী, কঙ্গনা বীরকে আবেগভরে চুম্বন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি এতটাই মগ্ন হয়ে গিয়েছিলেন যে, পরিচালক ‘কাট’ বলার পরেও তিনি থামেননি। বরং অভনেত্রীর কামড়ে ঠোঁট বেয়ে রক্ত ঝরতে শুরু করে অভিনেতার।”

তবে এই আলোচনার বিষয়টি নতুন কিছু নয়, এর আগেও এই নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে। ২০২৩ সালেও এই ছবির চুম্বনের দৃশ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছেল। তখন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তিনি তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বলেছিলেন, “হৃতিক রোশনের পর, আমি বেচারা বীর দাসের সম্মানহানি করলাম? এটা কবে ঘটল?” এর সঙ্গে তিনি হাসিমুখ এবং মাথা ধরে থাকার বেশ কয়েকটি ইমোজি শেয়ার করে স্পষ্ট করে দেন যে এই খবরটি নিছকই একটি গুজব ছিল।

২০১৪ সালে রিভলভার রানি একটি ডার্ক কমেডি ড্রামা চলচ্চিত্র ছিল। কঙ্গনা ‘অলকা সিং’ নামে একজন নারী রাজনীতিবিদ ও গ্যাংস্টারের ভূমিকায় অভিনয় করেন। কঙ্গনা ও বীর দাস ছাড়াও ছবিটিতে অভিনয় করেন পীযূষ মিশ্র, জাকির হোসেন এবং পঙ্কজ সারস্বত। তবে ছবিটি বক্স অফিসে সেইভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি।

আরও পড়ুন :- বাংলা ছবিতে ফের অনুপম খের, ২৬ বছর পর, প্রযোজনার পাশাপাশি অ্যাক্টিং স্কুলের পরিকল্পনা


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment