বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের মামলার তদন্তে মঙ্গলবার ৩ অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় ফরেন্সিক টিমের সদস্যরা। এই ঘটনায় গ্রেফতার অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার, দিবাকর মণ্ডল ও কবীর মোল্লাকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে SIT। তদন্তের স্বার্থে এই পুনর্নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পুলিশ। পাশাপাশি, ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক টিম (baruipur incident)।
পুনর্নির্মাণ প্রক্রিয়া চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন SIT-এর সদস্যরা। পাশাপাশি বারুইপুর জেলার পুলিশ সুপার ও অন্য উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে ছিলেন। রেললাইন দিয়ে হাঁটিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে অভিযুক্তদের নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনার পুর্ননির্মাণ করতে গিয়েই এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুনর্নির্মাণের সময় যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য বারুইপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়। এদিন ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু নমুনা সংগ্রহ করেন ফরেন্সিক দলের সদস্যরা (baruipur incident)।
প্রসঙ্গত, গত ৭ জুলাই এই ঘটনার পুননির্মান করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের৷ পুলিশের দাবি, ক্রাইম সিন রি-কনস্ট্রাকশনের সময় সিট সদস্য রনি সরকারের রিভলবার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। অভিযোগ, সে গুলিও চালায়। এরপর আত্মরক্ষায় অর্ঘ্য মন্ডল গুলি চালালে আহত হয় প্রভাস। তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। নাবালিকার দেহ পুকুরের কোন জায়গায় ফেলা হয়েছে, তা দেখিয়ে দিয়েছিল এই প্রভাসই।
পুলিশ সূত্রে দাবি, অকুস্থলে আগে থেকেই ছিল আনন্দ সর্দার ও দিবাকর সর্দার। সেখানে কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। মেয়েটি সেখান থেকে বেরোতে চাইলে পিছমোড়া করে বাঁধা হয় হাত। চিৎকার করায় তাঁর ঘাড়ে আঘাত করে অভিযুক্তরা। এরপর জ্ঞান হারায় কিশোরী। তখনই তাঁকে বস্তায় ভরতে আপ্রাণ চেষ্টা চালায় তারা। কিন্তু বস্তা ছোট হওয়ায়, তা ছিঁড়ে যায়। সেই ছেঁড়া বস্তার মধ্যেই দুমড়ে-মুচড়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় নাবালিকাকে। মঙ্গলবার সেইসব নমুনা সংগ্রহ করেন ফরেন্সিক দলের সদস্যরা।











1 thought on “বারুইপুর কাণ্ডে ৩ অভিযুক্তকে নিয়ে পুনর্নির্মাণ, ঘটনাস্থল থেকে কী পেল ফরেন্সিক টিম?”