আর কয়েকটা দিন। তারপর একুশে জুলাই। প্রতিবার তৃণমূলের ডাকা একুশে জুলাইয়ে শুধু শহিদদের স্মৃতিচারণা হত না। একই সঙ্গে এই দিন আসন্ন নির্বাচনে দল কীভাবে চলবে সেই দিক নির্দেশ করতেন সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Kunal ghosh)। পালা বদলের পর ছবিটা আলাদা। আপাতত তৃণমূল দুটি শিবিরে ভেঙে গিয়েছে। এখন প্রশ্ন, কোথায় হবে শহিদ দিবস?
এই প্রসঙ্গে ঋতব্রত শিবিরকে তোপ দেগে কুণাল ঘোষ বলেন, “২১শে জুলাই হবেই। প্রতি বছর হয়। আইন ইতিহাস রীতি নীতি মেনেই আবেদন করা হয়েছে। বিজেপির বি-টিম যা করছে তাই পাচ্ছে। বাঘছাল পড়িয়ে বেড়াল বাঘ হবে না। বেড়ালের মুখ থেকে হালুম নয়, ম্যাও বেরোবে। কৃত্রিম ভাবে মদত দিচ্ছে। মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছে।”
কুণাল আরও বলেন, “ব্রিগেডে বিজেপির বি-টিম করুক। এই ভরা বর্ষায় কীভাবে সম্ভব? আমরা চ্যালেঞ্জ করছি করুক ওই খানে বি টিম। ২০১১ সালে জল দাঁড়িয়ে আছে। সেটা আমরা আগেই দেখেছি।”
সুদীপ বন্দোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে কুণাল (Kunal ghosh) বলেন, “চূড়ান্ত বিশ্বাসঘাতক। সুদীপ বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিকবার সতর্ক করেছিলাম। তাতে আমি অপ্রিয় হয়েছিলাম। বিজেপি বিরোধী ভোটে জিতেছিলেন। কর্মীদের পাশে না থেকে ওনারা বিশ্বাসঘাতকতা করলেন। বিল পাশ করানোর জন্য এদের তোল্লা দিয়েছে বিজেপি। মমতা বন্দোপাধ্যায় ক্ষমতায় থাকলে এরাই পাশে থাকতেন। দিল্লিতে বাগবাজারের মতো পোষ্যের হাট হচ্ছে।”
২১ জুলাই কোথায় হবে এখনও ধাঁধা কালীঘাট তৃণমূলের কাছে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপিকে তোপ দেগে কুণাল ঘোষ বলেন, “বৃষ্টি লাকি আর হাঁটু জলে কাদা দুটোই আলাদা। অবশ্যই বৃষ্টি আমাদের লাকি। কিন্তু আকাশ যেমন বৃষ্টি দরকার। তেমনি ভালো রাস্তা দরকার। দুটোকে এক করলে হবে না। বাস্তব জানতে হবে। জুলাই মাসে ব্রিগেড করে বিজেপি দেখাক। আপনারা ইচ্ছাকৃত করে শহিদ সমাবেশে বাধা দিচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, “কংগ্রেস একটা আলাদা দল, প্রদেশ কংগ্রেস দীর্ঘ দিন কোনও কর্মসূচি করেনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১শে জুলাই প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছে। দায়িত্ব পালন করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভঙ্করবাবু কথা বলেছেন সেটা আলাদা ব্যাপার। বিজেপি এখনও ভয় পায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।”










