পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-আমেরিকা সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠেছে। একদিকে চলছে সামরিক অভিযান, অন্যদিকে কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনাও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি বলে ইঙ্গিত ট্রাম্পের। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানের সঙ্গে কথা বলছি। ওরা বিষয়টিকে আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছইনি।”
: ট্রাম্পের সামনে খোলা দু’টি পথ
ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ বিরতির আগের সমঝোতা কার্যত ভেঙে যাওয়ার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের থেকে বেরিয়ে আসতে ঠিক কোন কৌশল অবলম্বন করবে আমেরিকা? এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, আমেরিকার সামনে দু’টি পথ খোলা রয়েছে। একটি হলো সামরিক অভিযান আরও জোরদার করা, অন্যটি আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটানো। তাঁর দাবি, প্রয়োজন হলে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতেও প্রস্তুত ওয়াশিংটন।
ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধের আশঙ্কা
এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা করেছে, যা আন্তর্জাতিক তেল পরিবহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ইরানের সমর্থনে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে লোহিত সাগরে অবরোধ শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সৌদির দুটি তেলের ট্যাঙ্কারেও হামলার অভিযোগও উঠেছে।
শ্রমিকদের উপর চাপ দেওয়ার অভিযোগ, ভারতীয় পণ্যে ১০% শুল্ক চাপাল আমেরিকা
পাল্টা হামলায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি
তবে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলে নতুন কোনও হামলা হলে তার জন্য ইরানকেই দায়ী করা হবে এবং মার্কিন সেনাবাহিনী উপযুক্ত জবাব দেবে। (US Iran War)
এদিকে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ইরানের একাধিক এলাকায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা রয়েছে। পাল্টা জবাবে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তেহরানও। শুধু সামরিক ঘাঁটিই নয়, ভবিষ্যতে বেসামরিক স্থাপনাতেও হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। ফলে গোটা পশ্চিম এশিয়া জুড়ে নতুন করে বড় সংঘাতের আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।












