[ছবি:এক্স]
কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এ ভারতের ঝুলিতে আরও একটি পদক। গ্লাসগোতে মহিলাদের ৬৯ কেজি বিভাগে রুপো জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন ভারতীয় ভারোত্তোলক (Harjinder Kaur) হরজিন্দর কৌর। তবে পদক জয়ের আনন্দের মধ্যেও সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত ছিল একটি ফোনকল। মঞ্চ থেকে নেমেই প্রথম ফোন করেন মাকে। আর সেই কথোপকথনেই উঠে আসে দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকার অভিমান।
Harjinder Kaur: রুপো জিতেই প্রথম ফোন মাকে
সংবাদ সংস্থা IANS-কে হরজিন্দর জানান, বড় কোনও পদক জিতলেই তিনি সবার আগে মাকেই ফোন করেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তিনি বলেন, “আমি সব সময় পদক জিতলে প্রথমে মাকেই ফোন করি। আজও তাই করেছি। মা একটু অভিমান করেছিল, কারণ অনেক দিন ধরে প্রতিযোগিতার জন্য বাড়ির বাইরে রয়েছি।” সেই কথাতেই ফুটে ওঠে একজন ক্রীড়াবিদের সাফল্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা পারিবারিক আবেগ।
২২৭ কেজি তুলে টানা দ্বিতীয় কমনওয়েলথ পদক
২৯ বছরের (Harjinder Kaur) হরজিন্দর মোট ২২৭ কেজি (স্ন্যাচে ১০১ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১২৬ কেজি) তুলে রুপোর পদক নিশ্চিত করেন। ক্লিন অ্যান্ড জার্কে শেষ প্রচেষ্টায় সফল ১২৬ কেজি তুলেই তিনি দ্বিতীয় স্থান পাকা করেন। এর আগে ২০২২ সালের বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে তিনি ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। ফলে এটি তাঁর টানা দ্বিতীয় কমনওয়েলথ গেমস পদক।
Heartiest congratulations to Harjinder Kaur on winning the Silver Medal in the Women’s 69kg Weightlifting event at the Glasgow Commonwealth Games 2026. 🇮🇳
— Col Rajyavardhan Rathore (@Ra_THORe) July 29, 2026
Your remarkable strength, perseverance, and outstanding performance have brought immense pride to the nation. Wishing you… pic.twitter.com/vO88IHr17H
Harjinder Kaur: ‘পদকের রং বদলাতেই এসেছিলাম’
হরজিন্দর জানান, অনুশীলনে তিনি এর থেকেও বেশি ওজন তুলেছেন। তবু প্রতিযোগিতায় ছয়টি লিফটই সফল হওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট। তাঁর কথায়, “রুপোর পদক পেয়ে আমি খুশি। অনুশীলনে এর চেয়ে ভালো ক্লিন অ্যান্ড জার্ক করেছি। তবে ছয়টি লিফটই বৈধ হওয়ায় আমি সন্তুষ্ট।” পাশাপাশি তিনি বলেন, “আমি এখানে এসেছিলাম পদকের রং বদলানোর লক্ষ্য নিয়ে।” সেই লক্ষ্য পূরণ করে এবার ব্রোঞ্জ থেকে রুপোয় উন্নীত হলেন তিনি।
Congratulations to Harjinder Kaur for winning a Silver in the Women's 69 kg event at the Commonwealth Games in Glasgow. Also noteworthy is the fact that her performance yesterday was a personal best. It is gladdening to see our weightlifters perform so well in the Games. My best… pic.twitter.com/uK7igceWWv
— Narendra Modi (@narendramodi) July 29, 2026
কাবাডি থেকে ভারোত্তোলন, অনুপ্রেরণার পথচলা
আজ তিনি ভারতের অন্যতম সফল ভারোত্তোলক হলেও শুরুটা ছিল অন্য খেলায়। প্রথমে কাবাডি খেলতেন (Harjinder Kaur) হরজিন্দর। নিয়মিত পাঁচ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে অনুশীলনে যেতেন। ২০১৬ সালে, ২০ বছর বয়সে পাটিয়ালার পাঞ্জাবি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি ভারোত্তোলনে আসেন। সেই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় তাঁর জীবন। মাত্র এক দশকের মধ্যে তিনি হয়ে উঠেছেন ভারতের কমনওয়েলথ গেমসের ধারাবাহিক পদকজয়ী তারকা।
১৬ বছরের অধ্যায়ের ইতি, আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার











1 thought on “পদক জয়ের পরই মাকে ফোন, কমনওয়েলথে রুপো জিতে আবেগঘন স্বীকারোক্তি হরজিন্দরের”