হামিম কাণ্ডে আরও একজন বেঙ্গল এসটিএফের জালে। ধৃতের নাম আদিত্য রাই। হাওড়ার বেলিলিয়াস রোড থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া হামিম মণ্ডল ও তার বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আদিত্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, হামিম মণ্ডলকে জঙ্গি কার্যকলাপে সহযোগিতা করতো আদিত্য রাই। মন্ত্রী উমেশ রাই ও তাঁর ছেলে সম্পর্কিত তথ্যপাচার নাকি করত আদিত্য (Hamim Mondal)।
Hamim Mondal: হানিট্র্যাপে বাংলায় মহিলা গ্যাং তৈরির ছক
সুন্দরী ও উঠতি মডেলদেরই সোশাল মিডিয়ায় টার্গেট করছে বলে খবর গোয়েন্দাদের কাছে। তাঁরা জেনেছেন, রাজ্যে অন্তত ৬ মন্ত্রী ও তাঁদের পরিবারের লোকেদের হানিট্র্যাপে ফাঁসানোর চেষ্টার ছক কষা হয়েছিল। এই ব্যাপারে অর্পিতা ছাড়াও অন্য মহিলাদের কাজে লাগানো হত কি না সেই তথ্য গোয়েন্দারা জানার চেষ্টা করছেন।
গোয়েন্দাদের কাছে খবর, মডেলিং আর অভিনয়ের টোপ দিয়েই ঝাড়খণ্ডের অর্পিতা সরকারকে দলে টেনেছিল হামিম মণ্ডল (Hamim Mondal)।
হানিট্র্যাপের কাজ করলে অর্পিতা অনেক বেশি টাকা রোজগার করতে পারবে বলে বোঝানো হয় অর্পিতাকে। কীভাবে হানিট্র্যাপে হাওড়ার মন্ত্রীর পুত্রকে ফাঁসিয়ে তোলাবাজি করবে, সে ব্যাপারে তাকে পাকিস্তান থেকে সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
রাজ্য পুলিশের এসটিএফের গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন, আরও কতজনকে হানিট্র্যাপের জালে ফাঁসানো হয়েছে। গোয়েন্দাদের মতে, পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠী শেহজাদ ভাট্টি ও তেহরিক-ই-তালিবান হিন্দুস্থানের মাথারা এই রাজ্যে মহিলা গ্যাং তৈরি করতে শুরু করেছে। তার জন্য সোশাল মিডিয়ায় আসা সুন্দরী ও উঠতি মডেলদেরই টার্গেট করছে তারা।
হামিম মণ্ডলের মতো জঙ্গি এজেন্টদের কাজে লাগানো হচ্ছে এই কাজে। পাকিস্তানের নির্দেশ, সুন্দরী যুবতী ও তরুণীদের সঙ্গে প্রথমে সোশাল মিডিয়ায় বন্ধুত্ব করতে হবে। তার পর তাদের সঙ্গে দেখা করে ঘনিষ্ঠ হতে হবে। প্রয়োজনে বিয়ের প্রস্তাবও দিতে হবে। এর পর তাদের কাজে লাগানো হবে হানিট্র্যাপে। সেই নির্দেশমতোই হামিম ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারকে কাজে লাগিয়েছিল হানিটট্র্যাপে। প্রায় চার মাস ধরে অর্পিতা হাওড়ার মন্ত্রীর ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল বলে সূত্রের খবর। তাঁর থেকে টাকা হাতানোর ছক কষছিল। এর পর মন্ত্রীর ছেলেকে অপহরণেরও ছক কষা হয়েছিল।











1 thought on “হামিম কাণ্ডে আরও এক গ্রেফতার, নয়া তথ্য উঠে এলো”