রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

ইয়ে মেরি মা হ্যায়, তো ওহ মেরি মৌসি হ্যায়’ সানি দেওলের মন্তব্যে বিতর্ক, কেন বললেন?

Sunny Deols
---Advertisement---

বলিউড অভিনেতা সানি দেওলের একটি মন্তব্য ঘুরপাক খাচ্ছে সমাজ মাধ্যমে। যা ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কী এমন বললেন, অভিনেতা? যা নিয়ে এতো হইচই পড়ে গেলো নেটদুনিয়ায়। তিনি একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর বাবা ধর্মেন্দ্রর কথা উল্লেখ করে বলেন, ভারত যদি মা হয়, তবে পাকিস্তান হলো তার মাসি। আসন্ন ছবি ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর প্রচারের সময় এই মন্তব্য করেন তিনি (Sunny Deols)।

Sunny Deols: অভিনেতার মন্তব্যে কেন বিতর্ক?

পাকিস্তানে ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা এবং প্রতিবেশী দেশটির পরিবেশ নিয়ে তাঁর অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে অভিনেতা (Sunny Deols) স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা ওখানে তো শুটিং করিনি। শুটিং হয়েছে ভারতে। আমরা অনুভূতির কথা বলি না, কারণ পুরো দেশটাই একটা ছিল।”

সানি দেওল জানান, দেশভাগের পরেও দুই দেশের শেকড় এক—এই কথাটি বোঝাতেই তাঁর বাবা ধর্মেন্দ্র অতীতে এই তুলনা ব্যবহার করেছিলেন। তিনি বলেন,” যেমন বাবা বলেছিলেন, “এটি আমার মা, এবং আরেকটি মাসি। যেটা আমরা সকলে জানি। সবাই কোথাও না কোথাও একসঙ্গে জুড়ে আছি” তার এই মন্তব্যেই বিতর্কের ঝড় তোলে সমাজমাধ্যমে।

একজন নেটিজেন লিখেছেন, ” তার উদ্দেশ্যটা দেখুন—তার উদ্দেশ্য কিন্তু ভুল নয়। সন্ত্রাসবাদ ও সুশাসনের অভাব নিয়ে পাকিস্তানও ক্লান্ত। তাই তিনি বিষয়টি সাধারণভাবেই বলেছেন।”

আরও একজন লিখেছেন, “অভিনেতা আসলে বলিউডের আর দশজন সাধারণ মানুষের মতোই একজন। তিনি দেশাত্মবোধক কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন বলে সেই বাস্তবতা বদলে যায় না। ওই সব সিনেমার কৃতিত্ব আসলে সেই লেখক ও প্রযোজকেরই প্রাপ্য, যারা চিত্রনাট্যটিতে অনুমোদন দিয়েছিলেন।”

আরও একজন লেখেন, “আমার মনে হয় তিনি ঠিকই তুলনাটা করেছেন। মায়ের বোনেরা সবসময়ই বাচ্চাদের জন্য ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়ান। তাঁদের আত্মীয় মনে হলেও আসলে তাঁরাই ভেতরে ভেতরে হিংসা পোষণ করেন। জমি-জমা বা সম্পত্তি নিয়ে তাঁরাই সমস্যা তৈরি করেন। তাঁরা আমাদের পরিবার থেকে আলাদা হয়ে গেছেন, তাই প্রযুক্তিগতভাবে তাঁরা অনেকটা আমাদের ভাই-বোনের মতোই যাদের সাথে আমাদের সবসময়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকে।”


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment